বরকলে নেতার বউকে দিয়ে সাংবাদিকসহ ৯জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা

0
0

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:  বিগত ১৪ই এপ্রিল রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলাধীন ভুষনছড়া ইউনিয়নের এরাবুনিয়াতে বিগত ১০ইএপ্রিল আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোতালেব মুন্সি জমি বিরোধের জের ধরে তুলা গাছ হতে তুল চুড়ি করতে গেলে উক্ত গাছের মালিক আজাদের বউ,ভাতিজা,কণ্যাশিশু ও বড়ভাইকে বেদমভাবে মেরে গুরতর জখম করে।যার পরিপেক্ষীতে পরবর্তীতে ১২ই এপ্রিল লিপি বেগম ৯ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। বরকলে নেতার বউকে দিয়ে সাংবাদিকসহ ৯জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা

পরবর্তীতে মোতালেব তার স্ত্রী জেসমিন বেগমকে বাদী করে বিগত ১৪ই এপ্রিল সাংবাদিক আরিফুল ইসলামসহ ৯জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। এবিষয় আহত পরিবাবের পক্ষ হতে মো হযরত বলেন,বিগত ৯ ই এপ্রিল মোতালেব ও তার তিন ছেলে, দুই ভাইসহ প্রায় ১০-১৫ জন মিলে আমার চাচার জমি থেকে তুলা চুড়ি করার সময় আমরা চাচী লিপি বেগম বাধা দিলে মোতালেব তার ছেলে ও ভাইদেরকে নিয়ে তার ওপড়ে হামলা করে।এসময় মোতালেবের ছেলে জান্নাতের হাতে থাকা দা’র আঘাতে লিপি বেগমের ঘাড়ে মারাত্নক জখম হয়।পরবর্তিতে আমার চাচা আজাদ, আমি ও আমার ফুপাত ভাই রিদয় রায়হান ঘটনাস্থলে আসলে তাদের হাতে থাকা রড ও লঠির আঘাতে আমরাও মারাত্নক যখম হই।পরবর্তিতে আমরা থানার দ্বারস্থ হলে বরকল উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির বিভীন্ন পদস্থ নেতৃবৃন্দ ফোন দিয়ে আমাদের হুমকি দিতে থাকে।

এবিষয় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো রহিম জানান,আহত লিপি বেগম আমার শাশুড়ি।তিনি মামলা করার পর থেকেই বরকল উপজেলা আহবায়ক কমিটিসহ বিভিন্ন পদস্থ নেতৃবৃন্দদের কাছ থেকে বিভীন্ন হুমকিসুচক ফোন আসে।আমরা মামলা না তোলার কারনে গত ১৪ই এপ্রিল আমাদের ৯জনকে আসামী করে মোতালেবের বউকে দিয়ে মিথ্যা মামলা করে।

আমরা বর্তমানে জীবন নিরাপত্তার হুমকিতে আছে।আমরা উক্ত জুলমবাজদের হাত থেকে বাচার জন্য প্রশাসন ও জননেতা দিপঙ্কর তালুকদার মহোদয়ের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছি। এবিষয়ে প্রবীণ আওয়ামী নেতা মো আউয়াল সিকদার বলেন,নবগঠিত বরকল উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির প্রধান দায়িত্ব ছিলো এলাকার উশৃঙ্খল ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে বরকলের সার্বিক অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রেখে শান্তি ফিরিয়ে আনা।

কিন্তু তারা সেটা না করে অত্র এলাকার মামলাবাজ মোতালেবের বউকে ব্যাবহার করে তাদের অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করার কারনে আমার ছেলেসহ ৯ জনের নামে মিথ্যা মামলা করিয়েছে।

তারা স্বেচ্ছাসেবক , মৎস্যজীবি লীগ নামক কমিটির মাধ্যমে বিএনপি, জামায়াত থেকে আগতদের আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে।যেখানে মাননীয় জননেত্রী শেখ হাসিনা ও জননেতা দিপঙ্কর তালুকদার মহোদয়ের কঠোর নির্দেশনার পরেও দলে অনুপ্রবেশকারীদের দলে স্থান না দিতে কঠোর নির্দেশনা দিলেও তারা সেটা মানছে না।আমি আমাদের প্রিয় নেতা দীপঙ্কর তালুকদার মহোদয়কে উক্ত মামলার বিষয়টি অবগত করেছি।

তিনি আমাকে আহবায়ক ডা নজুরুলের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে বলেন।আমি উক্ত মামলার বিষয়টা কথা বলতে গেলে নজুরুল ইসলাম জানান এখানে তার কিছুই করার নেই।তার সাথে সাথে তিনি এটাও বলেন তার কমিটির কিছু লোক এই মামলা করানোর সাথে জড়িত।এই আহবায়ক কমিটি বহিরাগত ও বিএনপিদের নিয়েই বিভীন্ন দলীয় পোগ্রাম বাস্তাবায়নের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।প্রবীনদের সাথে দুর্ব্যবহার করাসহ বিভীন্ন অপকর্ম করছেন এই আহবায়ক কমিটি।আমার ছেলে সাংবাদিক হিসেবে উক্ত বিষয়গুলো সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরেছে।

যার ফলে ষড়যন্ত্র করে তাকে এই মিথ্যা মামলায় ফাসানো হয়েছে আমরা বরকল উপজেলার প্রবীণ আওয়ামী লীগ পরিবারের পক্ষ হতে উক্ত আহবায়ক কমিটিকে বয়কট করেছি এবং বরকল উপজেলার প্রবীন আওয়ামী লীগের পক্ষ হতে আমাদের জননেতা দীপঙ্কর তালুকদার মহোদয়ের নিকট বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, অনতিবিলম্বে উক্ত মিথ্যা মামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থাগ্রহনসহ এই অযোগ্য আহবায়ক কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি পুর্নাঙ্গ কমিটি গঠন এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে এলকায় শান্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসতে আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি।