অ্যাসাইনমেন্ট – Somoyerpata https://somoyerpata.com Most Popular Newspaper in Bangladesh Sun, 01 Aug 2021 15:46:21 +0000 bn-BD hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.0.2 https://somoyerpata.com/wp-content/uploads/2021/02/wp-1614354544132-150x150.png?v=1614354549 অ্যাসাইনমেন্ট – Somoyerpata https://somoyerpata.com 32 32 ডিপিএড বাংলা অ্যাসাইমেন্ট (পাঠ-২) https://somoyerpata.com/dped-guide/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a1-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8-2/ https://somoyerpata.com/dped-guide/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a1-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8-2/#respond Sun, 01 Aug 2021 15:46:21 +0000 https://somoyerpata.com/?p=87942 পিটিআই বাংলা অ্যাসাইমেন্ট,  অ্যাসাইমেন্ট, ডিপিএড বাংলা এ্যাসাইমেন্ট,  বাংলা এ্যাসাইমেন্ট, এ্যাসাইমেন্ট, ডিপিএড বাংলা অ্যাসাইমেন্ট, ডিপিএড অ্যাসাইমেন্ট, বাংলা অ্যাসাইমেন্ট,

শিরোনাম:  প্রাথমিক স্তরে ছোট গল্পের প্রয়োজনীয়তা ( নমুনা)

রবীন্দ্রনাথ ও ছোটগল্পের ধারণা : 
বাংলা ছোটগল্প ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনারতরী’ কাব্যের যে ‘বর্ষাযাপন’ কবিতাটি প্রায়শই উদ্ধৃত হয়ে থাকে তা নিম্নরূপ:

ছোটো প্রাণ, ছোটো ব্যথা, ছোটো ছোটো দুঃখকথা
নিতান্ত সহজ সরল,
সহস্র বিস্মৃতিরাশি প্রত্যহ যেতেছে ভাসি
তারি দু-চারটি অশ্রু জল।
নাহি বর্ণনার ছটা ঘটনার ঘনঘটা,
নাহি তত্ত্ব নাহি উপদেশ।
অন্তরে অতৃপ্তি রবে সাঙ্গ করি মনে হবে
শেষ হয়ে হইল না শেষ।
জগতের শত শত অসমাপ্ত কথা যত,
অকালের বিচ্ছিন্ন মুকুল,
অকালের জীবনগুলো, অখ্যাত কীর্তির ধুলা,
কত ভাব, কত ভয় ভুল-

এই পদ্যখণ্ডে ছোটগল্পের যে সকল গুণাগুণ বর্ণনা করা হয়েছে তা বহু ছোটগল্পের ক্ষেত্রেই প্রাসঙ্গিক। কিন্তু এটিই এর সার্বিক গুণবিচারের মাপকাঠি নয়। এ সকল গুণাগুণের অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য সমন্বিত ছোটগল্প প্রায়শই লিখিত হয়ে থাকে। তবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতে ছোটগল্প এমন হতে হবে যে ” শেষ হইয়াও হইল না শেষ ” অর্থাৎ গল্প শেষ হয়ে গেলেও যাতে রেশ থেকে যায় ।

বাংলা ভাষায় ছোটগল্পের উত্থান :
গল্পগুচ্ছ নামীয় গ্রন্থে সংকলিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যে সকল ছোটগল্প সংকলিত সেগুলো বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোটগল্প হিসাবে অদ্যাবধি চিহ্নিত এবং বহুল পঠিত। বাংলা ছোটগল্পের সার্থক স্রষ্টা রবীন্দ্রনাথ। তার ‘ঘাটের কথা’ ছোটগল্পটি বাংলাভাষার প্রথম সার্থক ছোটগল্পের স্বীকৃতি পেয়েছে। অতঃপর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, কাজী নজরুল ইসলাম, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, প্রেমেন্দ্র মিত্র, বনফুল, (বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়), বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়, সুবোধ ঘোষ, নরেন্দ্রনাথ মিত্র, আশাপূর্ণা দেবী, জগদীশ গুপ্ত, জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী, মনোজ বসু হুমায়ূন আহমেদ প্রমুখের রচনানৈপুণ্যে বাংলা ছোটগল্পনতুন দিগন্তে প্রবেশ করেছে।

ডিপিএড বাংলা অ্যাসাইমেন্ট (পাঠ-১)

ছোটগল্পের শ্রেণিবিভাগ :
1. প্রেমবিষয়ক : এসব গল্পে প্রেম ও রোমান্স প্রাধান্য পায়। যেমনঃ Ivan Turgenev-এর The Distruct Doctor; বঙ্কিমচন্দ্রের রাধারাণী; রবীন্দ্রনাথের নষ্টনীড়, একরাত্রি; মানিকের সর্পিল শিউলিমালা [নজরুল] ইত্যাদি।
2. সামাজিক : সামাজিক প্রতিবেশ ও বিশেষ সমাজের রূপায়ন ফুটে ওঠে এসব গল্পে। যেমনঃ রবীন্দ্রনাথের পোস্টমাস্টার, তারাশঙ্করের পিতাপুত্র প্রভৃতি।
3. প্রকৃতি ও মানুষ : এসব গল্পে সাধারণতঃ প্রকৃতির পটভূমিতে চরিত্রাঙ্কন করা হয়। উদাহরণস্বরূপঃ রবীন্দ্রনাথের তারাপদ, মনোজ বসুর বনমর্মর।
4. অতিপ্রাকৃত : এ ধরনের গল্পে অতিপ্রাকৃত-ভাব বা রহস্য-আচ্ছন্নতা লক্ষ করা যায়। উদাহরণঃ রবীন্দ্রনাথের নিশীথে, ক্ষুধিতপাষাণ, শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্কট।
5. হাস্যরসাত্মক : হাস্যরস ও নিখাঁদ বিনোদনদানই এই গল্পগুলোতে প্রাধান্য পায়। যেমনঃ রবীন্দ্রনাথের অধ্যাপক, রাজশেখর বসুর খোকার কাণ্ড, বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়ের কায়ার কল্প।
6. উদ্ভট : এই গল্পগুলোতে অসম্ভব বা অবাস্তব কাহিনী বর্ণিত হয়। উদাহরণঃ বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়ের নারায়ণী সেনা, কেদার বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভগবতীর পলায়ন ইত্যাদি।
7. সাংকেতিক বা প্রতীকী : গল্পের পাত্রপাত্রী বা পরিবেশকে না বুঝিয়ে সাংকেতিকভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন স্থান বা চরিত্রকে বোঝানো হয় বা বার্তা প্রদান করা হয় এ ধরনের গল্পে। এরকম গল্প হচ্ছেঃ George Orwell-এর Animal Farm, রবীন্দ্রনাথের তাসের দেশ, গুপ্তধন ইত্যাদি।
8. ঐতিহাসিক : এই গল্পগুলোতে কোনও একটি বিশেষ ঐতিহাসিক কালে সংঘটিত ঘটনা বর্ণিত হয়। যেমনঃ শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের চুয়াচন্দন।
9. বৈজ্ঞানিক : বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও তত্ত্বের সাহায্য নিয়ে এ ধরনের গল্প রচিত হয়। উদাহরণস্বরূপঃ H. G. Wells-এর The Stolen Bacillus; সত্যজিৎ রায়ের শঙ্কু ও ফ্র্যাংকেনস্ট্যাইন, মরুরহস্য; মুহম্মদ জাফর ইকবালের বেজি, আমড়া ও ক্রাব নেবুলা, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিশ্বমামা ও অহি-নকুল, নীল মানুষের কাহিনি ইত্যাদি।
10. গার্হস্থ্য : এই গল্পগুলোতে পারিবারিক ও গৃহজীবন প্রাধান্য পেয়ে থাকে। এ ধরনের গল্পের ভেতর রয়েছেঃ রবীন্দ্রনাথের ব্যবধান, বনফুলের তিলোত্তমা ইত্যাদি।
11. মনস্তাত্ত্বিক : এসব গল্প সাধারণতঃ নর-নারীর মনস্তত্ত্ব ও মানসিক টানাপোড়েন নিয়ে রচিত হয়ে থাকে। যেমনঃ শরৎচন্দ্রের রামের সুমতি, নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের টোপ, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের প্রতিশোধ ইত্যাদি।
12. মনুষ্যতর : মনুষ্য নয় এমন, অর্থাৎ প্রাণী বা অন্য জীবকে কেন্দ্র করে এসব গল্প লিখিত হয়। এরকম গল্প হচ্ছেঃ শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঘিনী, তারাশঙ্করের নারী ও নাগিনী।
13. বাস্তবনিষ্ঠ : এসব গল্পে সাধারণতঃ জীবনের কোনও ঘটনা বা দিক অত্যন্ত বস্তুনিষ্ঠ ও অকপট ভাষায় প্রকাশিত হয়। যেমনঃ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নমুনা, প্রাগৈতিহাসিক; অচিন্ত্য সেনের বস্ত্র; আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের তারাবিবির মরদপোলা, দুধেভাতে উৎপাত, পায়ের নিচে জল।
14. ডিটেকটিভ গল্প : এই গল্পগুলোতে পুলিশি তদন্ত ও সত্যানুসন্ধানের রোমাঞ্চকর বর্ণনা পাওয়া যায়। এর মধ্যে Arthur Conan Doyle-এর The Red-Headed League, Dorothy Sayers; নীহাররঞ্জন গুপ্তের সংকেত; পরশুরামের নীল তারা, সমরেশ বসুর আর এক ছায়া উল্লেখযোগ্য।
15. বিদেশি পটভূমিকাযুক্ত গল্প : এ ধরনের গল্পে বিদেশী পরিবেশে, অর্থাৎ বাংলার বাইরে নরনারীর চরিত্রাঙ্কন করা হয়। উদাহরণস্বরূপঃ প্রভাত মুখোপাধ্যায়ের মাতৃহীন, রাখাল সেনের সহযাত্রী ইত্যাদি।

উপসংহার:  বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। (নিজে থেকে লিখবেন)

রেফারেন্স : ডিপিএড বাংলা বই, বাংলা একাডেমি, ইন্টারনেট।

]]>
https://somoyerpata.com/dped-guide/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a1-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8-2/feed/ 0
শিক্ষকমানের উপর অ্যাসাইনমেন্ট | শিক্ষকমান অ্যাসাইনমেন্ট https://somoyerpata.com/dped-guide/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/ https://somoyerpata.com/dped-guide/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/#respond Sun, 18 Jul 2021 05:49:04 +0000 https://somoyerpata.com/?p=87077 শিক্ষকমানের উপর এ্যাসাইনমেন্ট | শিক্ষকমানের উপর অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি | শিক্ষকমান অ্যাসাইনমেন্ট

ভূমিকা:  শিক্ষকতা একটা ধর্ম; একে জীবনে ধারণ করতে হয়। জ্ঞানীমাত্রই শিক্ষক নন। আমাদের দেশে প্রচলিত শিক্ষক শিক্ষা অনেকটাই প্রশিক্ষণনির্ভর। কিন্তু প্রকৃত অর্থে শিক্ষক শিক্ষার পরিসর অনেক অনেক ব্যাপক।

সত্যিকারের শিক্ষক হয়ে ওঠার জন্য অনেক দক্ষতা, যোগ্যতা ও সঠিক মূল্যবোধের প্রয়োজন হয়, যা স¤পর্কে আমাদের দেশের অধিকাংশ শিক্ষকই সচেতন নন।

এসব দক্ষতা অর্জনের জন্য সবচেয়ে বেশি যেটি দরকার তা হলো সচেতনতা এবং নিরন্তর চেষ্টা। শিক্ষকতার মতো সৃজনশীল পেশা খুব কমই আছে পৃথিবীতে। শিক্ষকতা পেশা একটি অত্যন্ত শ্রমঘন পেশা।

এজন্য শিক্ষক নিজ থেকে যেমন সচেষ্ট থাকবেন, তেমনি শিক্ষকের সেই চেষ্টা কতটুকু ফলপ্রসূ তা যাচাইয়ের জন্য শিক্ষকমান মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। শিক্ষকমান হলো শিক্ষকদের পেশাগত পারদর্শিতা মূল্যায়নের জন্য নির্ধারিত কিছু আদর্শ (Standard) এর সমন্বয়, যার মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশার নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে শিক্ষকদের পারদর্শিতার অব¯
া যাচাই করা হয়।

সাধারণত শিক্ষা ব্যব¯
াপনায় নিয়োজিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তত্ত¡াবধান, পরিবীক্ষণ বা মূল্যায়ন প্রতিবেদনের মাধ্যমে এক ধরনের মূল্যায়নের কাজ করে থাকে। কখনো কখনো বিদ্যালয় শিক্ষকদের পারদর্শিতা মূল্যায়ন করে। মূলত মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষকের অর্জন ব্যবধান ও দুর্বলতা ধরা পড়ে এবং শিক্ষক তা অর্জনে সচেষ্ট হন।

শিক্ষকমান কি: শিক্ষকমান হলো শিক্ষকদের পেশাগত পরাদর্শিতা মূল্যায়নের জন্য নিধারিত কিছু আর্দ্শ (Standard) এর সমন্বয়, যার মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশার নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুল্মেতে শিক্ষকদের পারদর্শিতার অবস্থা যাচাই করা হয়। শিক্ষক তার আত্মমূল্যায়নের মাধ্যমে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালাবেন।

এজন্য শিক্ষক নিজ থেকে যেমন সচেষ্ট থাকবেন, তেমনি শিক্ষকের সেই চেষ্টা কতটুকু ফলপ্রসূ তা যাচাইয়ের জন্য শিক্ষকমান মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। সাধারণত শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তত্ত্ববাধান, পরিবীক্ষণ বা মূল্যায়ন প্রতিবেদনের মাধ্যমে এক ধরনের মূল্যায়নের কাজ করে থাকে। কখনো কখনো বিদ্যালয় শিক্ষকদের পারদর্শিতা মূল্যায়ন করে।

মূলত মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষকের অজন ব্যবধান ও দুবলতা ধরা পড়ে এবং শিক্ষক তা অজনে সচেষ্ট হন।

শিক্ষক মান মূল্যায়ণ:  শিক্ষকতা পেশায় ভালো করার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা দরকার। এজন্য শিক্ষক নিজ থেকে যেমন সচেষ্ট থাকবেন, তেমনি শিক্ষকের সেই চেষ্টা কতটুকু ফলপ্রসূ তা যাচাইয়ের জন্য শিক্ষকমান মূল্যয়ণ করা প্রয়োজন।

সাধারণত শিক্ষাব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তত্বাবধান, পরিবীক্ষণ বা মূল্যায়ণ প্রতিবেদনের মাধ্যমে এক ধরনের মূল্যায়নের কাজ করে থাকে। কখনো কখনো বিদ্যালয় শিক্ষকদের পারদর্শিতা মূল্যায়ণ করে। মূলত মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষকের অজন ব্যবধান ও দুবলতা ধরা পড়ে এবং শিক্ষক তা অজনে সচেষ্ট হন।

শিক্ষক মান প্রমানের প্রকৃতি:  শিক্ষকের যোগ্যতা কাঠামো তিনটি পরস্পর সম্পর্কিত ভাগে সাজানো যায়। নিম্নে এর বণনা করা হলো:

ক) পেশাভিত্তিক জ্ঞান এবং উপলব্ধি: 

খ) পেশাভিত্তিক ব্যবহারিক জ্ঞান অনুশীলন

গ) পেশাভিত্তিক মূল্যবোধ ও সম্পক

 

ক) পেশাভিত্তিক জ্ঞান এবং উপলব্ধি:

শিখনের ক্ষেত্র: নিচে ধারাবাহকি ভাবে আলোচনা করা হলো।
১। বিষয় সম্পর্কিত জ্ঞান :
শিক্ষকমান : ১.প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রাথমিক শিক্ষার সকল বিষয়ে শিক্ষাদানের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান ও ধারণা প্রদর্শন করতে পারেন।

সূচক :  * বিষয়বস্তু অনুসারে শিখনফল নির্বাচন করা
* বিাভন্ন বিষয় পাঠ পরিকল্পনা-কাঠামো সম্পর্কে ধারণা আছে
* পাঠ-পরিকল্পনায় বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের যথাযথ ব্যবহারের প্রমান পাওয়া যায়

* প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিকার্যক্রম পরিচালনায় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত বিষয়বস্তু সম্পর্কে উপলব্ধি প্রকাশ পায়।
* প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির প ্রতিদিনের কার্যক্রমভিত্তিক সময় বন্টন বিদ্যমান

* শিক্ষার্থীর পূর্ব জ্ঞানের সাথে বিষয়ব‧কে সংশ্লিষ্ট করতে প্রশ্ন সুনির্দিষ্টভাবে নির্বাচন করা আছে
* শিক্ষার্থীদের ধারনা প্রদানের জন্য বিষয় সংশ্লিষ্ট প ্রশ্ন
নিধর্ ারন করেন
* নির্বাচিত প্রশ্নগুলো শিক্ষর্থীদের ধারণা উন্নয়নের জন্য ‘সহজ
থেকে কঠিন’ ক্রমে বিন্যস্ত
* পাঠদানকালে শিক্ষক আত্মবিশ্বাসের সাথে সঠিক
বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান ব্যবহার করেন

* শিক্ষার্থীরা যখন কোনো বিষয় বুঝতে পারে না বা সমস্যার
সমাধান করতে পারে না তখন ক্সদনন্দিন জীবন অথবা
পরিচিত ঘটনা থেকে উদাহরণ দিয়ে উপলব্ধিতে সহায়তা
করেন।
* শিক্ষার্থীর চাহিদা মোতাবেক গল্প বলা, ছড়া, আবৃত্তি, গান,
বই পড়া এবং খেলাধুলার পরিচালনা পরিকল্পনা সুনির্দিষ্ট
* পরিকল্পনায় বিষয়ব¯‧ভিত্তিক পরিকল্পিত কাজ নির্ধারণ করা
আছে।
* শিক্ষার্থীর সামর্থ্য বিবেচনায় বিভিন্ন ধরনের কাজের নির্দেশনা
বিদ্যমান

উদাহরণ:  অনুযায়ী  পাঠ পরিকল্পনা তৈরি (চলমান)

]]>
https://somoyerpata.com/dped-guide/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/feed/ 0
ডিপিএড বাংলা অ্যাসাইমেন্ট (পাঠ-১) https://somoyerpata.com/dped-guide/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a1-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d/ https://somoyerpata.com/dped-guide/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a1-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d/#comments Thu, 01 Apr 2021 15:21:21 +0000 https://somoyerpata.com/?p=87938 ডিপিএড বাংলা অ্যাসাইমেন্ট, ডিপিএড অ্যাসাইমেন্ট, বাংলা অ্যাসাইমেন্ট, পিটিআই বাংলা অ্যাসাইমেন্ট,  অ্যাসাইমেন্ট, ডিপিএড বাংলা এ্যাসাইমেন্ট,  বাংলা এ্যাসাইমেন্ট, এ্যাসাইমেন্ট

শিরোনাম:  প্রাথমিক স্তরে ছোট গল্পের প্রয়োজনীয়তা ( নমুনা)

ভুমিকা:   গল্পের বই পড়তে কে না পছন্দ করে? বড় থেকে ছোট সবাই গল্পের বইয়ের প্রতি এতটাই দূর্বল থাকে যে, যেখানেই গল্পের বই পাওয়া যায় সেই বইটা হাতে নিয়ে পড়া শুরু করে দেয়। আর সেটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেমন যেন অসম্পূর্ণ বোধ হতে থাকে। বই মানুষের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করে আর যোগায় মনের খোড়াক। ছোট শিশুদের বইগুলো বেশ অন্যরকম থাকে।

অনেক রঙিন আর সুন্দর সব ছবির মাঝে অল্প কিছু কথা দিয়ে থাকে গল্পগুলো। যেন তারা ছবি দেখেই কল্পনার রাজ্যের পাখা মেলতে পারে।

ছোট শিশুদের নিজেদের আলাদা এক জগত আছে। যেখানে অনেকগুলো চরিত্র থাকে। খেয়াল করে দেখবেন ওদের হাতের সামনে খেলনাজাতীয় কিছু থাকলেই সেটা দিয়ে তারা নিজেরাই গল্প করছে। যদি কখনও তাদের গল্পটা আড়ি পেতে শোনেন, আপনি ভাবতেও পারবেন না ওরা এতটা সুন্দর আর মজাদার সব গল্প বানাতে পারে। এমন সব মজাদার যুক্তি আর কথা বলবে যে আপনি আড়াল থেকেই হেসে কুটিকুটি হবেন।

শিশুদের সাথে গল্পের বই তৈরির কাজ করতে গিয়ে এই অভিজ্ঞতা আমাদের অনেকবার হয়েছে। শিশুদের গল্প হয় যুক্তিহীন আর কল্পনায় মেশানো। বাস্তবতার সাথে সেটিকে মেলাতে গেলে বা সেটিকে বাস্তবধর্মী করতে যাওয়ার চেষ্টা করতে গেলেও সেটি শিশুর প্রতি অন্যায়।

বাচ্চাদের চিন্তা ভাবনা হয় একটু অন্য রকমের। তারা তাদের আশেপাশের অবস্থাকে নিজের মত করে আপন করে নেয় খুব সহজে। নেতিবাচক কোন কিছু তাদের কোমল মনে ভর করতে পারে না। সেই সহজ, প্রাঞ্জলতা ফুটে উঠে তাদের কথার মধ্যে দিয়ে, সাথে সাথে তাদের লিখনির মধ্যে দিয়েও।

আমাদের সবারই অনেকগুলো পছন্দের চরিত্র থাকে। সেগুলর মধ্যে ১/২ থাকে বেশী পছন্দের। আমরা দেখা যায়, অবচেতন মনে ঐ চরিত্রগুলোকে আমরা অনুসরণ করি বা তাদের মত করে অনেক কিছু কল্পনা করি যা কিনা বাস্তবের সাথে কোনই মিল থাকেনা। একবার ভাবুন, কল্পনার জগতটা কত সুন্দর এবং শক্তিশালী যে তার মায়া থেকে আমরা বড়রাও বের হয়ে আসতে পারি না।

গল্প লেখার মাধ্যমে বাচ্চাদের গঠনমূলক লেখার অভ্যাস গড়ে উঠে। ঐ গল্পগুলো শুনতে আমরা Kids Time চেষ্টা করেছি একটা জোন তৈরি করার। যেখানে কিনা বাচ্চারা তাদের মনের ভাবনা চিন্তাগুলোকে অনায়াসে প্রকাশ করতে পারে। তাদের কথা আগে শুনার চেষ্টা করা হয়। এরপর তাদের ভাবনাগুলোকে আরও গভীরভাবে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করা হয়।

এভাবেই সে যখন বিভিন্ন গল্প তৈরি করতে থাকে, সাথে সাথে তার মধ্যে গুছিয়ে লেখার বা বলার দক্ষতা তৈরি হয়।

ছোট গল্প : ছোটগল্প (বিকল্প বানান ছোট গল্প) বাংলাই না সমগ্র কথাসাহিত্যের একটি বিশেষ রূপবন্ধ যা কাহিনীভিত্তিক এবং দৈর্ঘ্যে হ্রস্ব, তবে ছোটগল্পের আকার কী হবে সে সম্পর্কে কোন সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেই। সব ছোটগল্পই গল্প বটে কিন্তু সব গল্পই ছোটগল্প নয়। একটি কাহিনী বা গল্পকে ছোটগল্পে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য কিছু নান্দনিক ও শিল্পশর্ত পূরণ করতে হয়। ছোটগল্পের সংজ্ঞার্থ কী সে নিয়ে সাহিত্যিক বিতর্ক ব্যাপক। এককথায় বলা যায়- যা আকারে ছোট, প্রকারে গল্প তাকে ছোটগল্প বলে।

ছোটগল্পের সংজ্ঞায়ন ও বৈশিষ্ট্য : 

ছোটগল্পের বৈশিষ্ট্য :
ছোটগল্প লেখকের আত্ম-সচেতন সৃষ্টি। শেষ হয়েও হইল না শেষ, এই পংক্তিটির মধ্যে ছোটগল্পের মৌলিক বৈশিষ্ট্য ব্যঞ্জিত হয়েছে। এছাড়াও ছোটগল্পের নিম্নবর্ণিত বৈশিষ্ট্যসমূহ লক্ষ্যণীয়।
ব্যঞ্জনধর্মিতা : সাধারণত কবিতার ক্ষেত্রে ব্যঞ্জনার ব্যাপারটি লক্ষ্যণীয় হলেও ছোটগল্পেও এর উজ্জ্বল উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বর্ণনাভঙ্গির স্বতন্ত্র প্রয়োগের জন্যই কখনও কখনও ছোটগল্পের শব্দগুচ্ছ বা বাক্য তার অর্থকে ছাড়িয়ে গভীর ভাব-ব্যঞ্জনা মূর্ত করে তোলে।
সুসংবদ্ধতা : ছোট গল্পের ভাষা, চরিত্র ও ঘটনার বিন্যাস হয়ে থাকে সুসংবদ্ধ ও সুদৃঢ়। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোন ঘটনা ও চরিত্রের স্থান ছোটগল্পে একেবারেই থাকে না।
সংবেদনশীলতা : ছোটগল্প জীবনঘনিষ্ঠ শিল্পরূপ। এতে লেখকের সংবেদনশীল মানসিকতার
পরিপূর্ণ প্রকাশ ঘটে থাকে।
জীবনের খন্ড অংশ : ছোট গল্পের ক্যানভাসে মূর্তিত হয় বৃহৎ জীবন প্রবাহের একটি খন্ডিত
রসঘন মুহূর্ত। আর এ মুহূর্তটির বহমানতা হয়ে থাকে দ্রæত গতির
চরম মুহূর্ত : নাটকের তৃতীয় অংকে যেমন ঘটনার চরম উৎকর্ষ বা ঈষরসধী রূপ পায় ছোট
গল্পেও তেমনি একটি চরম মুহূর্ত লক্ষ্য করা যায়। এই পর্যায়ে পাঠকের ইন্দ্রিয় অত্যন্ত সক্রিয়
হয়ে পড়ে পরবর্তী পরিণতি জানার প্রত্যাশায়।

ব্যঞ্জনার অতৃপ্তি : এই বৈশিষ্ট্যটি দৃষ্টিগোচর হয় গল্পের শেষ পরিণতিতে। দৃশ্যত গল্পটি শেষ
হয়ে গেলেও পাঠকের মনে একটি অতৃপ্তিবোধ থেকেই যায়। এর পর কী হল, কী হতে পারেএই বিষয়ে পাঠক চিন্তিত হয়। ব¯ত্তত এটিই ছোট গল্পের সার্থক পরিণতি ও প্রধান বৈশিষ্ট্য।

ছোটগল্প পাঠদানের পদ্ধতি ও কলাকৌশল :
অর্থপূর্ণ শিখনের প্রধান ও পূর্বশর্ত হচ্ছে অংশগ্রহণমূলক পাঠদান পদ্ধতি। অথার্ৎ শ্রেণীতে ছোটগল্প শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট গল্পটির আলোকে যে শিখনফল বা আচরণিক উদ্দেশ্য নির্বাচন করা হয়ে থাকে তা শেখাতে হবে শিক্ষার্থীকে হাতে কলমে কাজ করানোর মধ্য দিয়ে। শিখনফল অনুযায়ী এমন কাজের আয়োজন শ্রেণীতে রাখতে হবে- যেন ঐ কাজটি করতে গিয়ে শিক্ষার্থীকে চিন্তা করতে হয়; বারবার গল্পটির অংশবিশেষ পড়ে অনুধাবনের চেষ্টা করতে হয় এবং সমস্যা
সমাধানের জন্য দলীয় বা জোড়ায় চিন্তা সমন্বয়ের চেষ্টা চালাতে হয়। ছোট গল্প পাঠদানের
ক্ষেত্রে শ্রেণীতে শিক্ষককে কতকগুলো সাধারণ-ধাপ অনুসরণ করতে হয়। যেমন- লেখক
পরিচিতি, আদর্শ পাঠ, সরব পাঠ, শব্দার্থ, ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ প্রভৃতি।

(১) লেখক পরিচিতি : যে কোন ছোট গল্পের প্রথম অংশ পাঠদানের দিন শ্রেণীতে প্রথমে ঐ গল্পের লেখকের পরিচিতি বিবেচনায় আনতে হয়। এক্ষেত্রে শিক্ষক লেখক পরিচিতি
সম্পর্কে ২/১ মিনিটের মিনি লেকচার দেবার পর শিক্ষার্থীদেরকে লেখক পরিচিতি অংশ পড়ে জোড়ায় জোড়ায় খাতায় তথ্যছক তৈরি করতে বলবেন। পরে ফলাবর্তন দিবেন।
(২) আদর্শ পাঠ : গল্পের নির্বাচিত অংশ শিক্ষক শ্রেণীমুখী হয়ে পঠনের আদর্শগত সকল দিক বিবেচনায় রেখে শিক্ষার্থীদেরকে পাঠ করে শোনাবেন। এসময় শিক্ষার্থীরা বই খুলে শিক্ষকের আদর্শ পাঠ অনুসরণ করবে।
(৩)সরব পাঠ : কয়েকজন আগ্রহী শিক্ষার্থী সরব পাঠ করবে। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সহায়তায় পাঠের ভুল সংশোধন করবেন।
(৪)শব্দার্থ শেখানো : শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে অর্থ- না- জানা শব্দগুলো পর্যায়ক্রমে উল্লেখ করতে বলবেন এবং সাথে সাথে শুধু মূল শব্দগুলো বোর্ডের একপাশে নিচে নিচে লিখবেন। শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী নির্বাচিত শব্দগুলো বোর্ডে লিখা হয়ে গেলে ঐ
শব্দসমূহের অর্থ- শিক্ষার্থীদেরকে জোড়ায় চিন্তা করে নিজ নিজ খাতায় লিখতে বলবেন। পরে শিক্ষার্থীদের সহায়তায় ফলাবর্তন দিবেন।

(৫) পাঠ-বিশ্লেষণ : শিক্ষক এই অংশে প্রথমে খুব সংক্ষেপে (২/৩ মিনিট) পুরো পাঠের মূল দিকগুলো মৌখিকভাবে উপস্থাপন করবেন। এরপর তিনি শিক্ষার্থীদেরকে অংশগ্রহণমূলক শিখন পদ্ধতির সম্পূরক নিম্মরূপ কলাকৌশল ভিত্তিক কাজ দিতে পারেন। এক্ষেত্রে তাকে পাঠের প্রকৃতির দিক বিবেচনায় রেখে কাজগুলো (এক বা
একাধিক) নির্বাচন করতে হবে।
সমস্যা সমাধান : শিক্ষার্থীদেরকে নির্ধারিত সমস্যার আলোকে চিন্তা করে দলীয় বা জোড়ায় সমাধান খুঁজে বের করতে বলা ও শ্রেণীতে দল/ জোড়ার পক্ষে উপস্থাপন
করতে বলা।
মাইন্ড ম্যাপিং : শিক্ষার্থীদেরকে পোস্টার পেপারে অথবা নিজ নিজ খাতায় পাঠের একটি মূল শব্দ লিখে এর চারপাশে তার সাথে সংশ্লিষ্ট শব্দগুলো লিখতে বলা।
ডড়ৎফং ভষধংয : শিক্ষার্থীদেরকে ধারাবাহিকভাবে পাঠের প্রধান শব্দগুলো দিয়ে পাঠের বিষয়ব¯ত্ত/তথ্য নির্ভর বাক্য গঠন করতে দেওয়া।
বৈষম্য অনুসন্ধান : শিক্ষার্থীদেরকে পাঠ সংশ্লিষ্ট দু’টি পরস্পর বিরোধী বিষয়ের তুলনা করে বিষয় দু’টির বিভিন্ন দিকের পার্থক্য নিরূপণ ও বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন
করতে বলা।
ব্রেইন স্টর্মিং : পাঠ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দিক গভীরভাবে চিন্তা করে ঐ দিকসমূহের প্রকৃত স্বরূপ অনুসন্ধান করতে বলা।
ভিজ্যুয়ালাইজেশন : শিক্ষার্থীদেরকে প্রথমে চোখ বন্ধ করে নির্দেশ মোতাবেক পাঠসংশ্লিষ্ট কিছু দৃশ্য স্মরণ করে পরে চোখ খুলে সঙ্গির সাথে মত বিনিময় করে উপস্থাপিত সমস্যার সমাধান নির্ধারণ করতে বলা।
চক বোর্ড সার-সংক্ষেপ : পুরো পাঠের মূল শব্দগুলো শিক্ষার্থীদের দ্বারা নির্বাচন করিয়ে সাথে সাথে পরিকল্পনামত ধারাবাহিকভাবে বোর্ডে লিখা।
তালিকা প্রস্তুত: পাঠের বিভিন্ন দিক-সংশ্লিষ্ট উপ-দিকগুলো তালিকা আকারে লিখতে বলা।
শ্রেণীকরণ : এলোমেলোভাবে মিশ্রিত অনেকগুলো তথ্যকে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের আলোকে বিভিন্ন শ্রেণীতে সাজাতে বলা।
ত্রæটি শনাক্তকরণ: পাঠ-সংশ্লিষ্ট অথচ ভুল তথ্য সন্নিবেশিত সরবরাহকৃত অনুচ্ছেদ পড়ে তা সংশোধন করতে বলা। (পাঠ-1)

 

]]>
https://somoyerpata.com/dped-guide/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a1-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d/feed/ 1