সুনামগঞ্জে ভূয়া ডাক্তারের উৎপাত

0
0

এলাহীনূর,সদর প্রতিনিধি,সুনামগন্জ: সুনামগঞ্জের বাজার গুলোতে ভুয়া বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার,হারবাল চিকিৎসক,কবিরাজের ছড়াছড়ি। এই সব ভুয়া অভিজ্ঞতা সম্পন্ন চিকিৎসক,কবিরাজের ফাঁদে পড়ে জীবনের যুকি সহ কষ্টার্জিত অর্থের অপচয়ের শিকার হচ্ছে অসহায় জনসাধারন।সুনামগঞ্জে ভূয়া ডাক্তারের উৎপাত

ফলে সু-চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত উপজেলা বাসী। ড্রাগ সুপারগনের অবহেলা,অনিয়ম,দূনীর্তি এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না থাকায় প্রতিটি বাজারে হাতুরে ডাক্তারা নিয়ম বর্হিভূত ভাবে ডাক্তার সাইন বোর্ড টানিয়ে বহাল তবিয়তে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জমজমাট ভাবে প্রশাসনের চোখের সামনে ঃ যেন দেখার কেউ নেই।

স্বাধীনতার ৪৪ বছর পার হলেও হাওর বেষ্টিত সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর,মধ্যনগড়,জামালগঞ্জ,ধর্মপাশা,দিরাই,শাল্লা,বিশ্বাম্ভরপুর উপজেলার প্রত্যান্ত হাওরাঞ্চলের জনসাধারনের চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন হয় নি আর এই দিকে নজরও নেই সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের।

তাহিরপুর উপজেলার তাহিরপুর সদর,বাদাঘাট বাজার,বালিজুরী,উত্তর শ্রীপুর,দক্ষিন শ্রীপুর,উত্তর বড়দল,দক্ষিন বড়দল ৭টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় বাজার রয়েছে ছোট বড় শতাধিক। এই সব প্রত্যন্ত গ্রামের সাথে শুষ্ক মৌসুমে ও বর্ষায় ভাল যাতায়াত ব্যবস্থা না থাকা,কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোতে ঔষধ সংকট ও প্রায়ই থাকে তালা বদ্ধ থাকা এবং ৩১শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক,জনবল,রোগ নির্নয়ের উপকরন সহ নানান সংকট থাকার ফলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি নিজেই লাইফ সার্পোটে আছে।

এসব দিক বিবেচনা করে ও অতিরিক্ত ভিজিটের কারনে প্রত্যান্ত এলাকার শিশু,বৃদ্ধ,যুবক,গর্ভভতি মহিলারা উপজেলা সদরে ও রেজিষ্টার্ড চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে তাদের পাশ্ববর্তী বাজারের নাম সর্বস্ব হাতুরে ডাক্তার,কবিরাজ ও ফার্মেসীর শরনাপন্ন হচ্ছে। এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে উপজেলার প্রতিটি বাজারে ব্যাঙ্গের ছাতা মত গজিয়ে উঠেছে ফামেসী ও বিভিন্ন রোগের অভিজ্ঞতা সমপন্ন ডাক্তার,কবিরাজ ও হারবাল চিকিৎসক। আর প্রতিটি বাজারে ফামেসী রয়েছে ১০-৩০টির বেশী। আর এসব বাজারে হারবাল,হাতুরে ডাক্তার ও কবিরাজ রয়েছে প্রায় আড়াই হাজার।

তারা প্রত্যান্ত গ্রামের মানুষের মাঝে ফাঁদ পেতে স্থায়ী ভাবে রয়েছে বহাল তবিয়তে। যারা বেশী টাকার মোনাফার লোভে বিভিন্ন রোগের অভিজ্ঞতার সাইন র্বোড দোকানে ঝুলিয়ে ও ফামেসীতে নিন্ম মানের নাম সর্বস্ব কোম্পানীর উচ্চ মাত্রার এন্টিবায়োটিক ঔষধ সামন্য সর্ধি,জ্বরে,কাশিতে ফামেসীর কর্মচারী ও মালিকগন নিজেরাই রোগীদের দিয়ে ডাক্তারী ফলাচ্ছে ইচ্ছে মত। জানাযায়-এমবিবিএস ছাড়া আর কারো ব্যবস্থা পত্রে কিংবা সাইন বোর্ডে ডাক্তার লিখা আইন গত কোন নিয়ম নেই।

এমন কি যারা সহকারী কমিউনিটি অফিসার তারাও তাদের দেয়া ব্যবস্থা পত্রে ডাক্তার লিখতে পারে না। তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমল্পেক্স কর্মকর্তা আবুল হাসেম আনসারী বলেন-তাহিরপুর উপজেলার প্রতিটি বাজারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা নির্বাহী কর্মকর্তা কে নিয়ে ভুয়া ডাক্তারদের বিরোদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানান-ভুয়া ডাক্তার,কবিরাজ ও ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন দোকান চিহ্নিত করে তাদের বিরোদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা চেয়ারম্যান কারুজ্জামান কারুমল জানান- প্রতিটি বাজারে ফার্মেসী,ডাক্তার আছে জনসাধারনের উপকারের জন্য কিন্তু তারা প্রকৃত ডাক্তার ও ফার্মেসীর ড্্রাগ লাইসেন্স এবং তাদের ফার্মাসিষ্টের প্রশিক্ষন আছে কি না তা তদারকী করা প্রয়োজন।