সাংবাদিক নেতা মোছন আলীর সাথে দৈনিক ভোরের রশ্মি এর প্রধান সম্পাদকের মতবিনিময়

0
0

মোস্তফা মারুফ (সিলেট প্রতিনিধি) ::
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ( বিএমএসএফ) এর বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার সভাপতি ও বিশ্বনাথ মহিলা কলেজ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ মোছন আলীর সাথে দৈনিক ভোরের রশ্মি এর প্রধান সম্পাদক ও সাপ্তাহিক আমাদের সিলেট এর বিশ্বনাথ প্রতিনিধি মোঃ শাহিন উদ্দিনের এক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল ৮ই মার্চ সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্বনাথ বাজারে।

মতবিনিময় কালে সে সময় উপস্হিত ছিলেন, টেংরা বার্তার সহকারি সম্পাদক শিক্ষাবিদ মাষ্টার কবি তৌফিক চৌধুরী।

মতবিনিময়ে সাংবাদিক নেতা মোছন আলী জানান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ( বিএমএসএফ) কেন্দ্রীয় নিয়ন্রিত একটি সাংবাদিক সংগঠন।

এই সংগঠনের সহযোগি সংগঠন সারা দেশ ব্যাপি বিস্তার লাভে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বিশ্বনাথেও আড়াই বৎসর পূর্বে কেন্দ্র থেকে এই সংগঠনের শাখা এখানে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে এবং এটার কার্যক্রম অগ্রগতি হচ্ছে।

তিনি বলেন কিছু দিনের মধ্যে আমরা বিশ্বনাথের প্রশাসনকে ডেকে একটি অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবো এবং প্রশাসনের সাথে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রাখবো।

সাংবাদিক নেতা জানান, আমাদের বিশ্বনাথের প্রশাসন কর্মকর্তাদের সাথে কোনো কারণবশত সাক্ষাতে সাংবাদিক পরিচয় প্রদান করিলে, প্রশাসনের কর্মকর্তা ফের প্রশ্ন করেন আপনি কোন প্রেসক্লাবের?

মোছন আলী বলেন, সারা বাংলায় সাংবাদিক নির্যাতনের বিরোদ্ধে সোচ্চার আওয়াজ তুলছে এই সংগঠন।

সেখানে কে কোন মছলকের! কে কোন তরিকার! কে কোন মতাদর্শের এটা বিবেচনা করা হচ্ছেনা!

সাংবাদিক সবাই ভাই ভাই এমন মনোভাব নিয়েই এই সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।

তেমনি ভাবে মানবকল্যাণেও এই সাংবাদিক সংগঠনের মানবিক চিত্র প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি বলেন, যার জলন্ত দৃষ্টান্ত হচ্ছে, করোনাকালীন সময়ে এই সংগঠন রোগীদের জন্য এ্যাম্বল্যান্স, চিকিৎসক ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে মানবতার দরজায় আগমণ করেছিল।
ভবিয্যতেও এজাতির দুর্দিনে এই সংগঠন জনগণের পাশে থাকবে বলে জানান।

মোছন আলী জানান, বিশ্বনাথে তাঁর সাংবাদিক সংগঠনে ১৫ জনের মত সাংবাদ কর্মী রয়েছেন বলে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, দেশে প্রায় সেক্টরে যে, ভাবে বিভাজন, গ্রুপিং, দলাদলি, একে অন্যের প্রতি রেশারেশি হিংসা বিদ্দেশ যে, ভাবে বিদ্যমান রয়েছে! তেমনি ভাবেও সাংবাদিকদের মধ্যেও অনুরুপ বিরাজমান পরিলক্কিত হচ্ছে!

তিনি বলেন, এসব অমানবিক অমানুষিক কান্ড কারখানা থেকে বেরিয়ে আসার আহবান জানান এবং সাংবাদিকদেরকে উদার মনোভাবের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

মোছন আলী আরোও বলেন, কিছু কিছু সংবাদিক অন্য সাংবাদ পত্রের কর্মীকে সাংবাদিক হিসাবে স্বীকৃতি দিতে নারাজ ! তিনি বলেন, এটি একটি অভান্তর ও অবাস্তব মাসআলাহ! ডিক্লারেশন প্রাপ্ত কোনো দৈনিক,কোনো সাপ্তাহিক, কোনো মাসিক পত্রিকার মালিক গণ অর্থাৎ কোনো সম্পাদক ও প্রকাশক তিনি যদি তার পত্রিকায় কোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন, তাহলে ঔ ব্যক্তিই সাংবাদিক হিসাবে নাম লেখাতে পারেন, এতে কারো গায়ে লাগার তো কথা না!

সাংবাদিক নেতা মোছন আলী বলেন,
আমার বাড়ী বিশ্বনাথ উপজেলায় লামাকাজী ইউনিয়নে জন্ম,
বিশ্বনাথের এই আলো বাতাসে বড় হয়েছি,
আর সিলেট এম সি কলেজ থেকে এম এ সি পাশ করেছি ( এম এ) এম এ পাশ করে বিশ্বনাথ মহিলা কলেজ চ্যালেন্চের মধ্যে দিয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছি!

এই ভাবে আমি বিশ্বনাথ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামকেও ( বিএমএসএফ) বিশ্বনাথে গড়ে তুলবো,, ইনশা” আল্লাহ।