নির্বাচিত মেম্বার হলেও ২০ বছরে হয়নি রাস্তা কাজ চলাচলে নানা দূর্ভোগ এলাকাবাসীর। 

0
19

রাজীবপ্রধান,শ্রীপুর-গাজীপুর :-গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলাধীন গোসিংগা ইউনিয়ন কর্নপুর ১নং ওয়ার্ডের সাধারন জনগনের যাতায়াত ব্যবস্থার বেহাল দশা।

নির্বাচিত মেম্বার হলেও ২০ বছরে হয়নি রাস্তা।চলাচলে নানা দূর্ভোগ এলাকাবাসীর। 
নির্বাচিত মেম্বার হলেও ২০ বছরে হয়নি রাস্তা।চলাচলে নানা দূর্ভোগ এলাকাবাসীর।

চলাচলের রাস্তা কাচা হওয়ায় এবং সড়ক গুলোতে আধুনিকতার ছোয়া না থাকায় ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে হাজারো পথচারি ও এলাকাবাসীর । তিনটি গ্রাম নিয়ে একটি ওয়ার্ড হলো এই ১নং কর্নপুর। যেখানে বসবাস করছে প্রায় ১৭ শ পরিবারের সদস্যরা। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও এই এলাকার মানুষকে হেটে চলতে হয় কাঁচা ও কাঁদা যুক্ত রাস্তার উপর দিয়ে ।

বিশেষ করে বর্ষার দিনে স্কুল ও কলেজ পড়োয়া শিক্ষার্থীদের পায়ে হেটে কর্দমাক্ত জামাকাপড় নিয়েই স্কুলে আশা যাওয়া করতে হয়। ।অনেক কৃষি ও খামারবিদ রয়েছেন যারা তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বা পন্য সামগ্রি রাস্তার দূরাবস্থার কারনে আনা নেয়া করতে পারছে না।

কিন্তু তারপরও জীবন ধারনের তাগিদে তাদের এই পথেই চলতে হয় ভারি বোঝা বহন করে। তাছাড়া মুমূর্ষ অবস্থায় কোন রোগীকে হাসপাতালে সঠিক সময় আনা বা নেওয়া সম্ভব হয় না। যার ফলে অনেক সময়ই রোগীকে সঠিকসময়ে চিকিৎসার অভাবে মরতে হয়। আবার কোন লোক যদি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তাহলে তাদের বাড়িতে এম্বুলেন্স আসার কোন সুজুগ থাকেনা।

অবশ্য ইতিপূর্বে এসব এলাকার রাস্তার বেহাল চিএ মোবাইলে ধারন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও পোস্ট করেন কিছু তরুন ছাএসমাজ। কিন্তু তাতেও কোন কাজ হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বর্তমানে গোটা বাংলাদেশে যেখানে উন্নয়নের জোয়ার ঠিক তার বিপরীতে অনুন্নত হয়ে রয়েছে কর্নপুর গ্রামের রাস্তা ও যাতায়াত ব্যবস্থাগুলো।ইউনিয়নটির অন্যান্য গ্রাম গুলোর রাস্তা বা চলাচল ব্যবস্থার উন্নতি হলেও উন্নয়নের লেশ মাএ করতে পারেনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি আবুল হোসেন বেপারী।

বিগত সময়ে রাস্তার উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের জন্য ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ইসমাইল হোসেন সোনাম অর্জন করলেও দূর্নামের বাগি হয়েছেন ১ নং ওয়ার্ডের টানা ৪ বারের মেম্বার আবুল হোসেন বেপারী।

স্থানীয় জনগণের কাছে কথা বলে জানা যায় আবুল হোসেন মেম্বার দীর্ঘ ২০বছর ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরও যে পরিমান উন্নয়নমুলক কাজ করার কথা তার বিন্দুপরিমান কাজ সে করতে পারেনি। কিন্তু কেনো! প্রশ্ন এলাকাবাসীর। অনুন্নত রাস্তার দায় কিভাবে এড়িয়ে যাবেন এই মেম্বার। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আবুল হোসেন কতটুকু উন্নয়ন করতে পেরেছে তার নির্বাচনী এলাকায় এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, রাস্তার উন্নয়নের জন্য যে বরাদ্দ আসে তা দিয়ে এলাকার সকল উন্নয়ন কাজ করা সম্ভব হয় না।

তাছাড়া বার লক্ষ টাকা বরাদ্দ আসলে হারে গিয়ে পাওয়া যায় এক লক্ষ টাকা। যা দিয়ে সব রাস্তা বা কালবার্ড নির্মান কাজ সম্পূর্ণ হয়না।তাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডঃ শামসুল আলম প্রধানের কাছে অনেক বারই রাস্তার অনুদান চেয়েছেন মেম্বার আবুল হোসেন বেপারি। কিন্তু তাতেও নাকি কোন কাজ হয় না।

এ দুটানা অবস্থার মাঝখানে ভোগান্তিতে পরছে এলাকার সাধারন জনগন। তাই এই দুর্বিসহ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে গাজীপুর -৩ আসনের মাননীয় সাংসদ জননেতা ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি মহোদয়ের নিকট রাস্তা নির্মানের কাজ দূত সম্পন্ন করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন গোসিংগা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের জনগন।