চট্রগ্রাম নগরীর ৪ কিচেন মার্কেট প্রকল্প সমাপ্তির পথে। 

0
0

দেবাশিষ গোলদার,চট্রগ্রাম: সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, নগরীর প্রধান কাঁচাবাজারগুলোকে পর্যায়ক্রমে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত পরিবেশ ও ব্যবসা বান্ধব বহুতল বিশিষ্ট কিচেন মার্কেটে পরিণত করা হবে।

চট্রগ্রাম নগরীর ৪ কিচেন মার্কেট প্রকল্প সমাপ্তির পথে। 
চট্রগ্রাম নগরীর ৪ কিচেন মার্কেট প্রকল্প সমাপ্তির পথে।

বাংলাদেশ মিউনিসিপ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের (বিএমডিএফ) অর্থায়নে চসিকের ব্যবস্থাপনায় ৪টি কিচেন মার্কেটের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তিনি গতকাল ১১নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডের ফইল্লাতলী বাজারে নির্মিতব্য ১১তলা বিশিষ্ট কিচেন মার্কেট পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন। এ মার্কেটের ১০তলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে আধুনিক নগরীতে পরিণত করতে কাঁচাবাজারগুলোর আধুনিকায়ন ও ক্রেতা-বিক্রেতা বান্ধব করা জরুরি। বর্তমানে কাঁচাবাজারগুলোর পরিবেশ ক্রেতা-বিক্রেতা বান্ধব নয়। এ কারণে সাধারণ ক্রেতারা কাঁচাবাজার মুখী নন। ফলে যেখানে-সেখানে অনিয়ন্ত্রিত কাঁচাবাজার গড়ে উঠেছে। এতে যানজটসহ জনদুর্ভোগ বাড়ছে।

কিচেন মার্কেটগুলো হয়ে গেলে এমন সমস্যা থাকবে না। কিচেন মার্কেটে কাঁচাবাজার থাকাকালে যারা ব্যবসা করতেন তাদের পাশাপাশি যারা প্রকৃত কাঁচাবাজার বিক্রেতা তারাও বরাদ্দ পাবেন। সবচেয়ে বড় কথা কিচেন মার্কেট হয়ে গেলে এখানে বাজারদর নিয়ন্ত্রণ রাখার বিষয়টি প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের জন্যে সহজ হবে।

তিনি বলেন, নগরীতে কাঁচাবাজারগুলোর কারণে যত্রতত্র বর্জ্যের স্তুপ হয়। বিঘ্নিত হয় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। তিনি জানান- ফইল্লাতলী ছাড়াও দেওয়ানহাট পোর্ট সিটি কমপ্লেক্স, বক্সিরহাট ও বেপারিপাড়ায় বহুতল কিচেন মার্কেট শীঘ্রই চালু হবে। অন্যান্য প্রধান কাঁচাবাজারগুলো পর্যায়ক্রমে কিচেন মার্কেটে পরিণত হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, প্যানেল মেয়র মো. গিয়াস উদ্দীন, নেছার উদ্দীন আহমেদ মঞ্জু, মো. ইসমাইল, মো. জহুরুল আলম জসিম, মো. জাবেদ, মো. ইলিয়াছ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী বিপ্লব দাশ, ফইল্লাতলী বাজার কমিটির সহ-সভাপতি মো. ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দীন প্রমুখ।