আজ এটিএন বাংলার “ঢালিউড এক্সপ্রেস”-এর অতিথি ইমন খান ও সাজ্জাদ হায়দার

0
6

বিনোদন ডেস্কঃ

এটিএন বাংলার সিনিয়র প্রযোজক আব্দুর সাত্তারের পরিচালনায় এবং হৃদির উপস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দর্শক প্রিয় নিয়মিত অনুষ্ঠান “ঢালিউড এক্সপ্রেস”। জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানের এবারের পর্বের অতিথি মঞ্চ, টেলিভিশন, চলচ্চিত্রের অভিনেতা ও উপস্থাপক ইমন খান এবং আন্তর্জাতিক সাংবাদিক, লেখক, প্রযোজক ও পরিচালক সাজ্জাদ হায়দার। আজ সকাল ১১.৪৫ মিনিটে এটিএন বাংলায় প্রচারিত হবে অনুষ্ঠানটি।

অভিনেতা ইমন খানের ফেসবুক থেকে পাওয়া এ তথ্যের ভিত্তিতে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন মুক্তি পায় আমার চতুর্থ চলচ্চিত্র “জাল ছেঁড়ার সময়”। ছবিটি একাত্তরের দ্রোহ, ভালোবাসা, যুদ্ধ আর দেশপ্রেম নিয়ে নির্মিত । যার কাহিনি, সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন সাংবাদিক, লেখক, নির্মাতা সাজ্জাদ হায়দার। থিয়েটার থেকে বেছে নেওয়া দক্ষ শিল্পীরা ছাড়াও চলচ্চিত্রের কিছু পরিচিত অভিনয় শিল্পীদের সমন্বয়ে নির্মিত হয় ছবিটি। এখানে আমি ছাড়াও অভিনয় করেছেন- সুস্মিতা সুস্মি, আশিক চৌধুরী, অঞ্জলী, এমদাদ, নূর হোসেন রানা, শিউলি জামান, নিথর মাহবুব, মন্টি, ইকবাল, আফরোজা, প্রকাশ সরকার সুমন, রাজ রিয়াজ, ফারজানা রনি, প্রয়াত তোরাব আলি, ফারিয়া এবং আরও অনেকে। এই প্রজন্মের সংগীতশিল্পী ফারজানা রনি, রুকশানা রুপসা, তাসনিম জামান স্বর্ণা ও আফরোজা রুবি প্লেব্যাক করেছেন। ক্যামেরা পরিচালনা করেছেন যৌথভাবে, হাবিব রাজা ও কবির। সংগীত পরিচালনা করেছেন জিয়াউল হাসান ও সাগরিকা।

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রটির দৃশ্য ধারণের কাজ হয়েছে মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুরের সিরাজদিখান, গাজীপুরের পূবাইল, পদ্মা নদীর তীরে, কুয়াকাটার মনোরম পরিবেশে, খুলনায় একটি পুরনো যুদ্ধ জাহাজে ও এফডিসিতে বাকি দৃশ্যগুলোর ধারণ কাজ সম্পন্ন হয়। ছবিটিতে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময় থেকেই কাহিনি শুরু হয়। একাত্তরের বিদ্রোহী তারুণ্যের পাশাপাশি সেই সময়ের সুবিধাবাদী দ্বিধাগ্রস্ত মানুষদেরও দেখানো হয়েছে। এছাড়া সত্তর দশকের বিশ্বযুব বিদ্রোহের ছোঁয়া দেয়া হয়েছে এ চলচ্চিত্রটিতে ।

মূলত মুক্তিযুদ্ধ ইতিহাসের অন্যতম সাক্ষী/দলীল হয়ে থাকা এই চলচ্চিত্র এবং সমসাময়িক অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার জন্যই, এটিএন বাংলার দর্শক নন্দিত অনুষ্ঠান “ঢালিউড এক্সপ্রেস” এ ডাকা হয় ছবির পরিচালক সাজ্জাদ হায়দার এবং আমাকে”।

ছবি মুক্তির পর সিনেমা হলে দর্শক উপস্থিতি কেমন জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “এখনতো দেশে সিনেমা হলের সাথে সাথে দর্শক সংখ্যাও অনেক কমে গিয়েছে। যে কয়টি সিনেমা হল চালু রয়েছে সেগুলোতেও দর্শক উপস্থিতি কম থাকলে দুই-এক দিন/শো পরেই হল থেকে ছবিটি নামিয়ে দেয়া হয়। তবে আমাদের ছবিটি কিন্তু দেশের “যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমাসের” মত অন্যান্য হলেও এখনও সগৌরবে চলছে। টিকেটের দাম ব্যয়বহুল হওয়া সত্ত্বেও দর্শক কিন্তু ছবিটি দেখছে। কোনো হল থেকেই ছবিটি নামানোর সংবাদ আমরা পাইনি। ভালো গল্পের ছবি পেলে দর্শক এখনো সিনেমা হলে যায় এটিই তার প্রমাণ”।

নিয়মিত অভিনয় করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার সব মাধ্যমে কাজ করার আগ্রহ থাকলেও ব্যস্ততার কারণে থিয়েটার চর্চা ছাড়া কোনোটাই নিয়মিত করা হয়না”। তবে ভালো গল্পের নাটক, সিনেমার সুযোগ পেলে তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করবেন বলে জানান এই গুণী অভিনেতা।