কাউনিয়ায় লোডশেডিংয়ের অতিষ্ঠ গ্রামবাসী

0
3
 
জাকির ইসলাম মিন রংপুর (কাউনিয়া) উপজেলা প্রতিনিধিঃ
রংপুর কাউনিয়ায় প্রচুন্ড খরতাপ, অন্যদিকে বিদ্যুৎতের নিয়মিত ঘনঘন আসা-যাওয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে গ্রামবাসী।সরকারের হিসাব মতে দেশে কোনো বিদ্যুৎতের ঘাটতি না থাকলেও সকাল হতে না হতেই সৃর্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সময় -অসময় দেখা দিচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তার-কর্মচারীদের সাজানো ও কথিত বিদ্যুৎ সঞ্চালনের লাইনে ত্রুটি। বিতরণ ও সঞ্চালন ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে সাধারণ মানুষকে দুঃসহ গরমে দিন-রাত পোহাতে হচ্ছে লোডশেডিংয়ের তীব্র যন্ত্রণা।
ঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা অনেকটায় স্বাভাবিক। সামান্য বৃষ্টিতেও বিদ্যুৎ থাকেনা। সেটিও অনেকের কাছে স্বাভাবিক হয়ে গেছে। কিন্তু বর্তমানে বিনা অজুহাতে বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। না ঝড় না বৃষ্টি, তবুও ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না। এ অবস্থা শুরু হয়েছে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -২ এর কাউনিয়া জেনারেল অফিসসহ বিভিন্ন অফিসের আওতাধীন এলাকায়। অভিযোগ উঠেছে কাউনিয়া জেনারেল অফিসসহ বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তাদের উদাসীনতার কারণে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। কাউনিয়া উপজেলা বিদ্যুৎ নিয়ে চলছে নানান নাটকীয়তা।সামান্য বৃষ্টি নামলেই বিদ্যুৎ থাকে না। রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -২ এর পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলে লাইন নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বৃষ্টিপাতের শুরুতেই শুরু হয়েছে বিদুতের ভেল্কিবাজি। দিনে কমপক্ষে ৩-৪ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে। আবার কোনো কোনো এলাকায় মাইকিং ছাড়াই সকাল থেকে সারাদিন বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হচ্ছে। কাউনিয়া উপজেলার, মৌলভীবাজার, ব্রেন্টের বাজার,বুদ্ধির বাজার,দয়াল বাজার,শহীদবাগ,গুলসান,হারাগাছসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ গেলে আসার আর নাম থাকে না। দিনে ২ থেকে ৩ বার বিদ্যুৎ যায় এসব এলাকায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -২ কাউনিয়া উপজেলায় বিদ্যুৎ চাহিদা ১৫০ মেগাওয়াট। কাউনিয়া উপজেলা বরাদ্দ অনুযায়ী প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে। প্রচুন্ড গরমের সময় কাউনিয়া উপজেলা বিদ্যুৎ এর চাহিদা দাঁড়ায় ১৫০ মেগাওয়াটের ওপরে।আর এই চাহিদা পুরণ করতে পারছে না পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসগুলো। পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মতর্তারা দাবি করছেন কাউনিয়া উপজেলা সেভাবে লোডশেডিং নেই। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -২ এর কাউনিয়া জেনারেল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী নিশীথ কুমার কর্মকার জানান,বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে সমস্যা হলে এবং গ্রিডে সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। কাউনিয়া জেনারেল অফিসের এজিএম প্রকৌশলী মোঃ আলমগীর হোসেন জানান,বিভিন্ন এলাকায় লাইন মেরামতের কাজ করা হলে তখন ওই এলাকার বিদ্যুৎ লাইন সাময়িকের জন্য বন্ধ রাখা হয়। এটাকে লোডশেডিং বলা যায় না।