দুঃশ্চিন্তার ভাঁজ পরেছে কাপড়ের ব্যবসায়ীদের কপাল

0
4

রাজীবপ্রধান, শ্রীপুর-গাজীপুরঃ

লকডাউনের কবলে পড়ে সমস্যায় পড়েছেন কাপড়ের ব্যাবসায়ীরা। লকডাউনের ২য় ধাপে ৫দিন পার হয়ে গেছে।, করুনা প্রাদূরভাবের সময় হতে শুরু করে লকডাউনের কঠোর দিনগুলোর মধ্যেদিয়ে ১ম ধাপ হতে ২ধাপে এসে চরম হতাশায় দিন পার করছেন গাজীপুরে মাওনা চৌরাস্তার কাপড়ের দোকান মালিকরা । মাওনাচৌরাস্তা গাজীপুরের ২য় বৃহত্তর কাপরের কেনা-বেচার হাট। এখানে রয়েছে বেশ জাগজমক পূর্ণ শপিং মল, খুচরা ও পাইকারি। কিন্তু লকডাউনে কাপরের মার্কেট বন্ধ রাখার ঘোষণা হওয়া যারা লুকিয়ে দোকান চালাচ্ছেন ধরা পরলেই জরিমানা করছেন ভ্রাম্যমান আদালত। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে জরিমান সহ জেলও দেয়া হয়েছে। এই অবস্থায় কাপড়ের দোকান মালিকরা বুুঝতে পারছেন না কবে থেকে দোকান খুলতে পারবেন। মাওনা চৌরাস্তায় কাপড়ের মার্কেট, হকার্স কর্নার,পাইকারিও খুচরা মার্কেটে কাপড়ের দোকানের সংখ্যাও কম নয়। এর উপরে কর্মচারীরা কতজন থাকতে পারবেন তা নিয়েও সমস্যায় রয়েছেন কাপড়ের দোকানের মালিকেরা। অন্যান্য ব্যবসায়ীদের মতোই দুঃশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে তাদের কপালে।

লকডাউন কবে খুলবে তা নিয়েও যেমন অনিশ্চয়তায় আছেন কাপড়ের দোকানের মালিকেরা তেমনই দোকান কতদূর চলবে তা নিয়েও সন্দেহ তাদের মনে। মাওনা চৌরাস্তা কাপড়ের ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে আগামী দিনে মিটিং করে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।
এদিকে ব্যাংক থেকে উচ্চ সুদে ঋন নিয়ে ঝামেলায় আছেন বেশির ভাগ দোকান মালিকরা। এক দিকে লকডাউনে দোকান বন্ধ, অন্যদিকে দোকানের কর্মচারীর বেতন বকেয়া, মার্কেটে দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল,মাস শেষ হতেই কিস্তি, অনেক ক্ষেএে সাপ্তাহিক ভাবে কিস্তি পরিশোধ করতে হয়। নানা চাপে জর্জরিত ব্যবসায়ীরা। কেউ কেউ ঋনের বোঝা সইতে না পেরে আত্মহত্যা চিন্তাও করছেন।
মাওনার বৃহত্তর কাপড়ের মার্কেট, ভাই ভাই সিটি কমপ্লেক্স এর, এক কাপড় ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা গেলো, কাপড়ের ব্যবসার সিজন হলো দুই ঈদ।এছাড়া অন্যান্য সময়তে যা বেচা বিক্রি হয় তা হলো বার্তি বেচা কেনা।তাই এই সিজনটাকে ধরে রাখতে লকডাউনের আগে ব্যাংক থেকে টাকা উঠিয়ে দোকানে মালামাল পর্যাপ্ত পরিমানে উঠাই। যার দরুন আমার ব্যবসার খাতিরে ইনভেস্ট করতে হয়েছে। কিন্তু বর্তমান লগডাউনে না খুলতে পারছি দোকান, না পারছি কর্মচারী ছাটাই করতে। এদিকে বসিয়ে বসিয়ে কিভাবে দোকান ভাড়া আর কর্মচারীর বেতন পরিশোধ করবো তা নিয়ে আছি খুব দুশ্চিন্তার।
বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনা সরকার যদি এ বিষয়টি একটু ভাবেন তাহলে হয়তো আমাদের পথে বসতে হবেনা।
তাই সিমিত আকারে যদি মার্কেট খোলে দেয়া হয় তাহলে হয়তো এই বিপদগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা একটু লাভবান হতে পারে।