ক্যাম্পাস মাতালো হাবিপ্রবির দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থীরা

0
114

IMG_2257মুহিউদ্দিন নুর,দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ রিইউনিয়ন কথাটার সাথেই সবসময় জড়িয়ে থাকে অনেক আবেগ , অনেক স্মৃতি , অনেক ভালোবাসা ভালোলাগা । এরকমই বুকভরা আবেগ , অনুভূতি নিয়ে  গতকাল  শুক্রবার অনুষ্ঠিত হলো  হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম বারের মতো কোন  ব্যাচের(হাবিপ্রবির ২য় ব্যাচের) পূর্নমিলনী ।সকাল থেকে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই দিনটি উদযাপন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় ব্যাচ।সকাল থেকে স্মৃতি চারন সভা র‍্যালী, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, এবং সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ব্যান্ড টার্বো ক্রেটার এর মনমাতানো কনসার্ট সহ নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাস মাতায় বিশ্ববিদ্যালয় এর ২য় ব্যাচের অগ্রজরা। সাথে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান রত বিভিন্ন সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ সহ সকল শিক্ষার্থীরা।তারা সারা ক্যাম্পাসে  ব্যান্ড  বাজিয়ে নেচে গেয়ে মাতিয়ে তুলেন। সকালে স্মৃতি চারন সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মু আবুল কাশেম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর মোঃ রুহুল আমিন,এছাড়া ও আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড.এ টি এম শফিকুল ইসলাম, প্রফেসর ড.আনিস খান,প্রফেসর ড.মিজানুর রহমান, প্রফেসর ড.বলরাম রায়,প্রফেসর ড.আতাউর রহমান,প্রফেসর ড.আব্দুল আহাদ। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠারর ক্ষেত্রে প্রথম ও ২য় ব্যাচের অগ্রনি  ভুমিকা তুলে ধরেন।উল্লেখ্য ১৯৯৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু কন্যা ,বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা , এর কিছুদিন পরেই ক্ষমতা পরিবর্তন হয় এবং পরবর্তি সরকার গেজেট প্রকাশ করতে অনীহা প্রকাশ করে । ফলে ঝুলে যায় ইতোমধ্যে ভর্তিকৃত প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জীবন । এরই ফলশ্রুতিতে আন্দোলনে নামতে হয় তাদের ।এই আন্দোলন নিয়ে যেতে হয় ঢাকা পযন্ত , অবশেষে তৎকালীন সরকার বাধ্য হয় গেজেট প্রকাশ করতে ।তাদের  জীবন থেকে হারিয়ে যায় মূল্যবান দুটি বছর । এসব কথা বলতে যেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তারা । তাদের কথার সাথে একমত  পোষণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক প্রফেসর মিজানুর রহমান , ড আনিস খান , ড বলরাম রায় বলেন তাদের আন্দোলনের জন্যই এই  বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছে এটা সবাইকে মেনে নিতে হবে ।প্রফেসর মিজানুর রহমান বলেন , আমি স্বীকার করি তাদের জন্যই আমি আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ।দ্বিতীয় ব্যাচের এ ধরনের উদ্যোগের তারা  ভূয়সী প্রশংসা করেন । এ সময় উঠে আসে এ্যালামনাই এসোসিয়েশন  এর কথা । এ ব্যাপারে প্রফেসর ড. আনিস খান বলেন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এ্যালামনাই এসোসিয়েশন  অত্যন্ত জরুরী , যা পরিচালিত হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দ্বারা , এটা তাদের অধিকার। এ্যালামনাই এসোসিয়েশন  এর ব্যাপারে সবাই একমত পোষণ করেন এবং এ ব্যাপারে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ও   ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের যথাযথ উদ্যোগ নেয়ার জন্য আহবান জানান ।এসব অনুষ্ঠানে    সভাপতিত্ব করেন ২য় ব্যাচের ছাত্র ও  বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সাদেকুর রহমান।অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র ও জুনিয়রদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরিকারী একমাত্র গ্রুপ অনলাইন ফ্যামিলি এর অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা  জনাব কাবিদ আহমেদ মানিক।