দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ২টি দোকানে চুরি

0
44

মহিউদ্দিন নুর, দিনাজপুর প্রতিনিধি:
নৈশ প্রহরীর দায়িত্ব হীনতার ফলে গত সোমবার দিবাগত রাতে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা সদরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মডেল বহুমুখী উচ্চ প্রতিষ্ঠান চুরিবিদ্যালয়, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নবাবগঞ্জ ডিগ্রী কলেজে,চয়েস টেলিকম ও হ্যালো নবাবগঞ্জ দুটি মোবাইল দোকান থেকে নগদ টাকা চুরি হয়েছে। এদিকে এ ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের জন্য একজন নৈশ প্রহরীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় হেফাজতে রাখা হয়েছে। কলেজের সভাপতি ও আ.লীগ নেতা শাহ আলমগীর জানান, গভীর রাতে সংঘবদ্ধ একটি চোরের দল কলেজের লাইব্রেরী ঘরের তালা ভেঙ্গে দুটি স্টিল আলমারির ড্রয়ার ভেঙ্গে ১৫ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খায়রুল আলম থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। মডেল বহুমুখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি শাহ জিয়াউর রহমান মানিক জানান, একই রাতে স্কুলের ৪টি কক্ষে তালা ভেঙ্গে আলমারিতে রক্ষিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ তালা ভেঙ্গে টাকা নিয়ে গেছে। উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই কায়দায় সদর দরজা ও আলমারি তালা ভেঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লন্ডভন্ড করেছে। এছাড়াও উপজেলা সদরে চয়েস টেলিকম ও হ্যালো নবাবগঞ্জ দুটি মোবাইল দোকানেও দরজা ভেঙ্গে নগদ অর্থ চুরি যায়। এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানায় যোগাযোগ করা হলে অফিসার ইনচার্জ মো. ইসমাইল হোসেন জানান, খবর পেয়েই তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দায়িত্বরত নৈশ প্রহরী মো. মশফিকুর রহমানকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বজলুর রশীদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি জানান। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বনিক জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা দুঃখজনক। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান তিনি। এ বিষয়ে বিরামপুর নবাবগঞ্জ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার এ এস এম মো. হাফিজুর রহমান এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি জড়িত থাকে তদন্ত সাপেক্ষে আইনের আওতায় আনা হবে। এদিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতি চুরি প্রতিরোধে ও ব্যবসায়ীদের সজাগ থাকার জন্য সন্ধ্যায় জরুরী অধিবেশন আহবান করেছে। উল্লেখ্য ৩ মাস পূর্বে একই কায়দায় সহকারি কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় ও একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের পল্লী সঞ্চয়ী ব্যাংকেও গ্রিল কেটে চুরির চেষ্ঠা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সভায় বিষয়টি ব্যাপক আলোচনা হলেও অভিযুক্তদের আটক করতে পারেনি পুলিশ। একই রাতে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ২টি মোবাইল দোকানে চুরি :
নৈশ প্রহরীর দায়িত্ব হীনতার ফলে গত সোমবার দিবাগত রাতে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা সদরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মডেল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নবাবগঞ্জ ডিগ্রী কলেজে,চয়েস টেলিকম ও হ্যালো নবাবগঞ্জ দুটি মোবাইল দোকান থেকে নগদ টাকা চুরি হয়েছে। এদিকে এ ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের জন্য একজন নৈশ প্রহরীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় হেফাজতে রাখা হয়েছে। কলেজের সভাপতি ও আ.লীগ নেতা শাহ আলমগীর জানান, গভীর রাতে সংঘবদ্ধ একটি চোরের দল কলেজের লাইব্রেরী ঘরের তালা ভেঙ্গে দুটি স্টিল আলমারির ড্রয়ার ভেঙ্গে ১৫ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খায়রুল আলম থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। মডেল বহুমুখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি শাহ জিয়াউর রহমান মানিক জানান, একই রাতে স্কুলের ৪টি কক্ষে তালা ভেঙ্গে আলমারিতে রক্ষিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ তালা ভেঙ্গে টাকা নিয়ে গেছে। উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই কায়দায় সদর দরজা ও আলমারি তালা ভেঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লন্ডভন্ড করেছে। এছাড়াও উপজেলা সদরে চয়েস টেলিকম ও হ্যালো নবাবগঞ্জ দুটি মোবাইল দোকানেও দরজা ভেঙ্গে নগদ অর্থ চুরি যায়। এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানায় যোগাযোগ করা হলে অফিসার ইনচার্জ মো. ইসমাইল হোসেন জানান, খবর পেয়েই তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দায়িত্বরত নৈশ প্রহরী মো. মশফিকুর রহমানকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বজলুর রশীদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি জানান। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বনিক জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা দুঃখজনক। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান তিনি। এ বিষয়ে বিরামপুর নবাবগঞ্জ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার এ এস এম মো. হাফিজুর রহমান এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি জড়িত থাকে তদন্ত সাপেক্ষে আইনের আওতায় আনা হবে। এদিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতি চুরি প্রতিরোধে ও ব্যবসায়ীদের সজাগ থাকার জন্য সন্ধ্যায় জরুরী অধিবেশন আহবান করেছে। উল্লেখ্য ৩ মাস পূর্বে একই কায়দায় সহকারি কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় ও একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের পল্লী সঞ্চয়ী ব্যাংকেও গ্রিল কেটে চুরির চেষ্ঠা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সভায় বিষয়টি ব্যাপক আলোচনা হলেও অভিযুক্তদের আটক করতে পারেনি পুলিশ।