কুড়িগ্রামে হাঁড় কাঁপানো শীতে কষ্টে স্বল্প আয়ের মানুষ

0
26

শিতখাজা ময়েনউদ্দিন চিশতিঃ শীতের  হিমেল হাওয়া ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন কুড়িগ্রাম জেলা। হিমালয় ঘেঁষা কুড়িগ্রামের উপর দিয়ে বয়ে গেছে ছোট বড় ১৬টি নদ নদী। বন্যা, খড়া ও প্রকোপ শীতে প্রতি বছরই আক্রান্ত হয় কুড়িগ্রাম জেলার মানুষ জন। প্রকৃতির এইসব অভিশাপ নিয়েই কুড়িগ্রামের মানুষের জীবন চলা। গত কয়েক দিনের শীতের হিমেল বাতাস ও ঘনকুয়াশায় থমকে গেছে এ জেলার মানুষের জীবনযাত্রা। বিশেষ করে চরাঞ্চলের মানুষের শীতের ভোগান্তির শেষ নেই। বৃদ্ধ ও শিশুদের শীত বস্ত্রের অভাবে অনেকেই খড় কুটা জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছেন। আবার কেউ বা ঘড়ের ভিতর জড়োসরো হয়ে বসে আছেন। প্রতিদিনেই সকাল ১১-১২টা ছাড়া সূর্যের দেখা মেলে না। ঘনকুয়াশা ও শীতের কারণে দিন মজুরদের বসে থাকতে হয় প্রায় দিনই। আবার কেউবা দিনের অর্ধেক বেলা কাজ করেন। মহা সড়ক গুলোতে সকাল ১০-১১ টা পর্যন্ত গাড়ীর হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করে। এমনকি অটো রিকশা, মটোর সাইকেলের হেড লাইট না জ্বালিয়ে চালাতে পারেন না।
চরাঞ্চলের মানুষের সাথে কথা হলে তারা জানান, তাদের শীতের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ গরম কাপড় নেই। এদিকে শীতের কারণে শহরের আনাচে কানাচে ফুটপাতে বিক্রি হচ্ছে গরম কাপড়।
এক ক্রেতা জানান দামী শীতের কাপড় ক্রয় করার সামর্থ না থাকার কারণে তারা ফুটপাতের কমদামী গরম কাপড় কিনেছে।
ফুটপাতের এক বিক্রেতাএনামুল হক জানান, শীতের তীব্রতার কারণে ফুটপাতে তার শীতের কাপড় বিক্রি ভালো হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ  অফিস সুত্রে  জানা গেছে, সরকারি ভাবে কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এ পর্যন্ত৩৭,৯৮৫টি কম্বল বিতরন, ব্যাক্তি পর্যায়ে ১টি কম্বল, পরিবার পর্যায়ে ২টি করে কম্বল বিতরণ, সরকারের কাছে শিশুদের জন্য ২৫ হাজার গরম শিশু পোশাকের চাহিদা দেওয়া হয়েছে ।