কুড়িগ্রামে সীমান্তে ফেলানীর হত্যার ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী

0
65

খাজা ময়েন উদ্দিন চিশতীঃ ২০১১ইং সালের ৭ জানুয়ারী কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার হাজিটারী সীমান্তে বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানী (১৫) কে পাখি শিকারের মত গুলি করে হত্যা করে তার লাশ কাটা তারের বেড়ায় ঝুলিয়ে রাখে ভারতের চৌধুরীহাট ক্যাম্পের বিএসএফ। সেই সময় দেশ বিদেশের বিভিন্ন মিডিয়ায় ঝড় উঠলেও বর্তমানে ফেলানীর পরিবার নিয়ে খোজ রাখে না কেউ। ফেলানী

সীমান্তে ফেলানীর হত্যার প্রতিবাদ ও চরম মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া ধরাবাহিক রিপোর্ট প্রকাশসহ দেশী-বিদেশী মিডিয়ায় ঘটনাটি সোচ্চার হলে বাংলাদেশ সরকার ভারতের বিএসএফের নির্মমতার প্রতিবাদ জানানো হয়। ফেলানীর কবর দেখতে পরিবারকে শান্তনা ও আর্থিক সাহায্য দিতে ছুটে আসেন সেই সময়কার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুন ও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা। বাংলাদেশ সরকার নগদ ফেলানীর পরিবারকে তিন লক্ষ টাকা প্রদান করেন। ফেলানীর নামে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন করার কথা থাকলে উন্নয়নের কোন ছোয়া লাগেনি এলাকায়। ফেলানীল বাবা নুর ইসলাম জানান, জেলা পরিষদ থেকে ফেলানীর কবর পাকা করা ছাড়া আমি আর কিছুই পাইনি।

ফেলানীর মা জানালেন  দুই মেয়ে তিন ছেলে নিয়ে কষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করতেছি। ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারতেছিনা। ফেলানীর ভাই-বোনেরা জানান আমরা ফেলানী হত্যা সঠিক বিচার পাইনি। ফেলানীর হত্যার রাষ্ট্র থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবি এসএম আব্রাহাম লিংকন জানান ফেলানী হত্যার বিচারটা না পাওয়া আমাদের জন্য দুঃখজনক।