ইভটিজিংকে কেন্দ্র করে হাবিপ্রবিতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

0
1627

Captureউত্ত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে  আজ সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৩ টা পযন্ত হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে । ভুক্তভোগিদের সাথে  কথা বলে জানা যায় এগ্রিবিজনেস বিভাগের লেভেল ৩ সেমিস্টার ২ এর ছাত্রী মুক্তা,অমি, মামনুনা , আরশি সহ তারা কয়েকজন বান্ধবী  ছাত্রলীগ আয়োজিত জঙ্গিবাদ বিরোধী মানবন্ধনে অংশ নেয়ার জন্য টিএসসির সামনে দিয়ে  যাচ্ছিল এ সময় মুক্তার ২ বছরের জুনিয়র ( লেভেল ২ সেমিস্টার ১ ) এর কয়েকজন ছাত্র(জ্যাকি , মোহাম্মদ সহ কয়েকজন) তাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় উত্ত্যক্ত করে। মুক্তা জানায় এ সময় সে  তাদের লেভেল জানতে চাইলে তারা আরো উত্তেজিত হয়ে উঠে । পরবর্তীতে মুক্তার বন্ধুরা আসলে দুই পক্ষের মধ্যে সামান্য কথা কাটাকাটি ও  মারামারি হয় । এরপর জুনিয়ররা আবার  জিয়া হলের কয়েকজন সিনিয়রের নেতৃত্ব দল বেধে আসলে সাদ্দাম-নুর ইসলাম গ্রুপের  সাথে পলাশ গ্রুপের  মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায় এবং ধাওয়ার মুখে সাদ্দাম ও নুর ইসলামের নেতৃত্ব  জিয়া হলের  ছেলেরা পিছু হটে। পরবর্তিতে ক্যাম্পাসের বাইরে ছাত্রলীগের জঙ্গিবিরোধী মানববন্ধন সুষ্ঠুভাবে শেষ হয়। মানববন্ধন শেষে জিয়া হলের  ছাত্রলীগ নেতা আশরাফুলের নেতৃত্ব কর্মীরা  হলের সামনে গেলে সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেয়া সাদ্দাম , নুর গ্রুপের সাথে তাদের আবার  সংঘর্ষ লেগে যায় । এসবের এক পর্যায়ে অন্যান্য হলের ছাত্রলীগ কর্মীরাও এতে যোগ দেয় এবং দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে ।  এতে আশরাফুল, অপুর্ব , শাহ আলম , সোহানুর শুভ সহ বেশ কয়েকজন আহত হয় এর মধ্যে অপুর্ব ও শাহ আলমকে প্রথমিক চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে নেয়া হয়  । পরবর্তিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় । পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসার পর সেখানে পুলিশ আসতে দেখা গেছে । এ ব্যাপারে মুক্তার সহপাঠিরা জানান ক্যাম্পাস একটি নিরাপদ জায়গা সেখানে দিনে দুপুরে   সিনিয়রকে উত্ত্যক্ত করা মেনে নেয়া যায়না  । আমরা এর বিচার চাই । যারা জুনিয়রকে মদদ দিয়েছে তাদের ও বিচার চাই । অপরদিকে এ ব্যাপারে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম বলেন জুনিয়ররা উত্ত্যক্ত করেনি তারা শুধু  গান গাইতেছিলো।হামলার জন্য দুই গ্রুপ একে অপরকে দায়ী করে।