বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনায় শেষ হলো ইজতেমা

0
22

বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনা করে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব।বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনায় শেষ হলো ইজতেমা

আজ রোববার বেলা ১১টা ১০ মিনিটের পর গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগতীরে শুরু হয় মোনাজাত। শেষ হয় বেলা ১১টা ৪৪  মিনিটে।

মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা জোটবদ্ধ হয়ে ইসলামী দাওয়াতের কাজে বের হবেন।

প্রথম পর্বের মতো এবারও আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন তাবলিগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বি ও দিল্লির মাওলানা মোহাম্মদ সা’দ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে আজ ভোর থেকেই শীত উপেক্ষা করে লাখো মুসল্লি হেঁটে, বিভিন্ন যানবাহন ও ট্রেনে চড়ে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে এসে সমবেত হচ্ছেন। বিপুলসংখ্যক নারী মুসল্লিও মোনাজাতে অংশ নিতে ইজতেমার আশপাশের বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকেই অবস্থান নেন। মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে যাতায়াত সুবিধার জন্য শাটল বাস ও বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। টঙ্গী হয়ে চলাচলকারী সব ট্রেন টঙ্গী জংশনে যাত্রাবিরতি করছে। আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে শনিবার মধ্যরাত থেকে মোনাজাত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইজতেমা ময়দানমুখী সড়কে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পাঁচ স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) হারুন-অর-রশীদ।

বিভিন্ন দেশে তাবলিগের কাজে বের হতে এবার ইজতেমাস্থলে দ্বিতীয় পর্বে প্রায় দুই হাজার জামাত তৈরি হয়েছে বলে ইজতেমা আয়োজক সূত্রে জানা গেছে। আখেরি মোনাজাত শেষে এসব মুসল্লি জামাতবন্দি হয়ে ঢাকার কাকরাইল মসজিদে গিয়ে রিপোর্ট করবেন। পরে তাবলিগের মুরুব্বিদের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী তাঁরা জামাতবন্দি হয়ে দ্বীনের দাওয়াতি মেহনতে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়বেন। এসব জামাতে কেউ কেউ এক, দুই, তিন, চার, ছয় ও এক বছরের চিল্লা, এমনকি আজীবন চিল্লার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। এ ছাড়া এ পর্যন্ত প্রায় ১০০  বিদেশি জামাত তৈরি হয়েছে। প্রথম পর্বে প্রায় আড়াই হাজার জামাত তৈরি হয়েছে। আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যে এসব জামাত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়বে বলে জানা গেছে।