চিলমারীর একমাত্র অডিটোরিয়াম হলটি এখন গুদাম

0
50

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার একমাত্র অডিটোরিয়াম হলটি এখন বই রাখার গুদাম ঘরে পরিণত হয়েছে। ভবনটি সংস্কার না করার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে নাট্যচর্চা এবং কমে গেছে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড।
৯০ এর দশকে এই অটিটোরিয়াম হলে স্থানীয় মানুষ নাটক দেখতো টিকিট কেটে। তখন ৩-৪টি সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিযোগিতামূলক কর্মকান্ড চালাতো এই অডিটোরিয়াম হলটিকে ঘিরে। উপজেলা প্রশাসনকে ৫’শ টাকা ভাড়া দিয়ে হলটি বুকিং নিতে হতো। সকল রাজনৈতিক দলের সভাসহ এনজিওদের অনেক প্রোগ্রাম এবং সরকারী প্রোগ্রাম হতো এই অডিটোরিয়াম হলে। ৯০ সালের পরে একবার অডিটোরিয়াম হলটি সংস্কার করা হয়। নিম্নমানের সংস্কার কার্য হওয়ায় তা বেশিদিন স্থায়ীত্ব হয়নি। ১৯৯৭ সালের পরে অডিটোরিয়ামটি ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পরে। এ অবস্থাতেই ৪/৫ বছর হলো উপজেলা মাধ্যমিক অফিস অডিটোরিয়ামটিকে বই রাখার গুদাম হিসাবে ব্যবহার করছে।
এ ব্যাপারে সাংস্কৃতিক কর্মী নুরুল আমিন সরকার, নাট্যকর্মী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মহব্বত আলী মজনু, রোকনুজ্জামান স্বপন ও আমজাদ হোসেনসহ অনেকে বলেন, অডিটোরিয়াম হলটি সংস্কার না করার কারণে এ উপজেলায় ধীরে ধীরে নাট্য চর্চা বন্ধ হয়ে গেছে। খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড।
নাট্যকর্মী চৌধুরি আমিনুল ইসলাম বলেন, একদিকে পৃষ্ঠপোশকতার অভাব অন্যদিকে বাইরে মঞ্চ তৈরী করে নাটক করতে অনেক টাকার প্রয়োজন, সেখানে মাত্র ৫’শ টাকায় রেডিমেট মঞ্চ পাওয়া যেত। নাট্য চর্চা করতে অসুবিধা হতো না। তিনি অতিদ্রুত অডিটোরিয়াম হলটি সংস্কারের দাবী জানান।
উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার মোঃ আরিফ উল্লাহ’র সাথে কথা বললে তিনি বলেন, বই রাখার জায়গা নেই, অডিটোরিয়ামটি ফাঁকা পরে আছে আপাতত সেটাকেই আমরা বিনা ভাড়ায় ব্যবহার করছি। সংস্কারের কাজে হাত দিলে আমরা বইগুলি সরিয়ে নেবো।
এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীরবিক্রম জানান, বরাদ্দ পেলে অবশ্যই অডিটোরিয়ামটির সংস্কার করা হবে।

ছবি ইমেইলে।