আত্রাইয়ে বাৎসরিক দুইবার কাজের নামে প্রতিমাসে সকাল সন্ধা দিনের পর দিন চলে একটানা লোড শেডিং

0
48

নওগাঁর আত্রাইয়ে এসএসসি পরীক্ষা ও ইরি মৌসুম শুরু হতে না হতে পল্লী বিদ্যুৎতের ভয়াবহ দিনের পর দিন চলছে একটানা সকাল সন্ধা লোড শেডিংয়ের কবলে পড়ছে দেড় লক্ষাধীক পরীক্ষাথী,কৃষক ও সাধারণ মানুষেরা।লোড শেডিংয়ের কারণে ইরি ফসলে পানি সেচ,পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনা, অফিসের কাজকর্ম সহ সাংবাদিকদের সংবাদ পরিবেশনও বিঘ্নিত হচ্ছে।কৃষকেরা জানান প্রায় সপ্তাহ ব্যাপী বিদ্যুতের লোড শেডিংয়ের ফলে ইরি ফসলের জমিতে পানি সেচ দিতে পারছে না।অনেক আবাদি জমি পানিশূন্য হয়ে সাদা হয়ে গেছে এতে চলতি বোরো ফসল আশানুরূপ পাওয়া যাবেনা বলে কৃষকেরা শংকিত হয়ে পড়েছেন।এস এস সি পরীক্ষার্থীরাসহ শিক্ষার্থীরা জানান বিদ্যুত না থাকার কারণে তাদের পড়াশোনার কাজ চালাতে পারছেনা।অফিসের কাজ কর্মে যেমন সমস্যা হয়েছে তেমনি সাংবাদিকদের সংবাদ পরিবেশনও করতে পারছেনা।বিদ্যুত না থাকার কারণে জরুরি কাজ জেনারেটরের মাধ্যমে করে নিতে তাদের অতিরিক্ত পয়সা খরচ করতেএহচ্ছে।চলতি ইরি মৌসুমের শুরুতে বিদ্যুৎ যন্ত্রনায় শিকার হয়ে কৃষক ও সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে হতশা দেখা দিয়েছে।প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষক বাঁচাতে বিদ্যুৎ সরবারহ পর্যাপ্ত রাখার জন্য নির্দেশ দেন।কিন্তু আত্রাই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম উক্ত নির্দেশ কে অমান্য করে সকাল সন্ধা বিদ্যুৎ লোড শেডিং করে রাখছে।শুধু তাই নয় বিদ্যুৎ সরবারহ না থাকায় সেচ পাম্প বন্ধ থাকার কারণে মাঠ জুড়ে শুরু হওয়া ইরি মৌসুমের চাষাবাদের বেহাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।পানির অভাবে কৃষকেরা জমিতে চেষ দেওয়া বিলম্ভ হচ্ছে|গ্রাহকরা জানান, বছরের শুরুতে এই ধরনের পল্লী বিদ্যুৎতের লোড শেডিং একপ্রকার অসনী সংকেত বলে মনে করছেন তারা।আত্রাই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এই নাম্বারে 01769401541 যোগাযোগ করলে প্রথমে তিনি বলেন আমাদের বাৎসরিক এ দুইবার এইভাবে কাজ করার নিয়ম আছে।তার পরিচয় জানতে চাইলে এবং দিনের পর দিন সকাল সন্ধা লোডশেডিং কারণে জানতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয়ে তিনি বলেন এইসব ফোনে নয় অফিসে আসেন সরাসরি কথা হবে নাস্তা করা হবে।