যে পাহাড়ে খেলাধূলা করলে খালি সওয়াব আর সওয়াব!

0
18

ডেস্ক রিপোর্টঃ ইন্দোনেশিয়ায় ‘যৌনতার পাহাড়ে’ ভিড় করেন অসংখ্য তীর্থযাত্রী। পাহাড়চূড়ায় পৌঁছে অপরিচিতের সঙ্গে অবাধ যৌনতায় মেতে ওঠেন পুণ্যার্থীরা। দৈহিক চাহিদা নয়, পুণ্য অর্জনের কারণেই বহাল এই রীতি।

ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট কেমুকাস বা গুনুং কেমুকাসের পরিচিতি যৌনতার পাহাড় নামে। সোলো শহর থেকে ২৮ কিমি দূরে স্রাগেন রিজেন্সির এ পাহাড়চূড়ার ওপরে রয়েছে সুবিখ্যাত এক জাভানিজ তীর্থক্ষেত্র।

প্রতি বছর সেখানে কয়েক হাজার তীর্থযাত্রী ভিড় করেন পুণ্যের আশায়। এখানে পুণ্য অর্জনের জন্য এক অভিনব রীতি চালু রয়েছে। ৩৫ দিন অন্তর দুই অপরিচিত যুগল যৌনতায় লিপ্ত হলে তবেই পুণ্য অর্জন করা সম্ভব।

কিংবদন্তী রয়েছে যে, রাজকুমার প্যাঙ্গেরান সামোদ্রো তার সৎমা নিয়াই অনত্রোউলানের প্রেমে পড়েন। রাজরোষ থেকে বাঁচতে কেমুকাস পাহাড়ের ওপর আশ্রয় নেন যুগল। সেখানে তারা যৌন মিলনে মেতে ওঠেন। কিন্তু চরম শারীরিক তৃপ্তি লাভের সময় রাজার বাহিনী এসে তাদের ধরে ফেলে। তাদের হাতেই নিহত হয় প্রেমিক যুগল। স্থানীয় বিশ্বাস, পাহাড়চূড়ায় অপরিচিতের যৌন সঙ্গম করলে অশেষ পুণ্যলাভ করেন।