তারকাদের এমন প্রথম পাঁচটি অভিজ্ঞতা

0
42

সময়েরপাতা- প্রথম অভিনয়ঃ আমি প্রথম অভিনয় করেছিলাম মেহেরনিগার নামের একটি নাটকে। ২০০২ সালে একুশে টিভিতে নাটকটি প্রচারিত হয়। প্রথম নাটকেই জাহিদ ভাইকে (জাহিদ হাসান) নায়ক হিসেবে পেয়েছিলাম। তবে প্রথম অভিনয় হিসেবে যতটা জড়সড় থাকার কথা ছিল তা একেবারেই ঘটেনি আমার ক্ষেত্রে। বরং শুটিংয়ের সময় বনভোজনের মতো অনুভূতি হচ্ছিল। নাটকটির শুটিং হয়েছিল সিলেটের শ্রীমঙ্গলে। আমার এখনো মনে আছে, শুটিং শেষ হওয়ার পর বেশ কিছুদিন আমার মন খারাপ ছিল। শুটিংয়ের সময়গুলো খুব মিস করছিলাম।জাকিয়া
প্রথম উপার্জনঃ জীবনে প্রথম উপার্জন করেছি নাচ করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশন করে ৬০০ টাকা পেয়েছিলাম। তখন আমি স্কুলে পড়ি, টাকার পরিমাণটা তাই আমার কাছে একদম কম ছিল না। আমার টাকার দরকারও ছিল। কারণ, কিছুদিন পরেই ছিল আমার ভাইয়ের জন্মদিন। সেই টাকা দিয়ে ভাইয়ের জন্য উপহার কিনেছিলাম।
প্রথম বড়পর্দায়ঃ আমার প্রথম সিনেমা দারুচিনি দ্বীপ। লাক্স চ্যানেল আই সুপার স্টার প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরপর আমরা এই ছবির শুটিং করি। এই ছবির সহশিল্পীদের কয়েকজনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় থাকার সময় থেকেই ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছিল। আর ক্যামেরা-ভীতি আমার কখনোই ছিল না। তাই প্রথম সিনেমার কাজটিও বেশ মজা করে করেছিলাম। সেন্ট মার্টিনে হয়েছিল সিনেমাটির শুটিং।
প্রথম পুরস্কারঃ ছোটবেলায় পুরস্কার প্রাপ্তি আমার কাছে ছিল অনেক বড় একটি বিষয়। কোনো প্রতিযোগিতায় পুরস্কার না পেলে কী যে মন খারাপ হতো। এখন আর এসব কিছু মনে হয় না। আমার জীবনের প্রথম পুরস্কারটি অর্জন করেছিলাম ১৯৯১ সালে। তখন আমি প্রথম অথবা দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ি। সেবার জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় আবৃত্তি করে একটি পুরস্কার জিতেছিলাম।

 প্রথম প্রেমঃ প্রথম প্রেমে হলো কলেজে থাকতে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘হৈমন্তী’ ছোট গল্পটি আমাদের পাঠ্যপুস্তকের অন্তর্গত ছিল। ওই সময় হৈমন্তী চরিত্রটি আমাকে প্রচণ্ড আকর্ষণ করেছিল। গল্পটি পড়েই আমি সেই চরিত্রের প্রেমে পড়ে যাই। তাই বলা যেতে পারে হৈমন্তীই আমার প্রথম প্রেম।