হাবিপ্রবিতে বন্যার্তদের মাঝে ধানের চারা বিতরন , হচ্ছে মোবাইল হাসপাতাল ও হ্যাচারি

0
124

মুহিউদ্দিন নুর, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৭০জন কৃষকের মাঝে বি. আর-৩৪ (লেট ভেরাইটি) জাতের আমন ধানের চারা বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণা মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ধানের চারা বিতরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম।

vc sir44

উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদের ডীন প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. সফিউল আলম, ফিসারিজ অনুষদের ডীন ড. মোহাম্মদ ফেরদৌস মেহবুব প্রমূখ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি দিনাজপুর অঞ্চলের কৃষকদের কৃষিভিত্তিক সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার মাধ্যমে যে প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হবে তা এ অঞ্চলের উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে।তিনি বলেন বন্যার পর পরই আমি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা দেখতে গিয়েছিলাম , সেখানে দেখলাম হাজার হাজার একর ফসলের মাঠ পানির নিচে ডুবে গেছে , তার পরই এই সিদ্ধান্ত নেই। এই ধানের চারা ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্যক্রম এ এলাকায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের সামান্য হলেও উপকারে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি । এ সময় তিনি বলেন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দিনাজপুরের বিভিন্ন জায়গা সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ত্রান বিতরণ করা হয়েছে । বিভিন্ন জায়গায় আমরা গবাদি পশুর জন্য খাবার ও ঔষধ ও বিতরণ করেছি । এ ব্যাপারে তিনি বলেন এই বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জানেন এবং তিনি এর প্রশংসা করেছেন । তিনি যোগ করেন কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুরে এসেছিলেন , আমি তার উপস্থিতিতে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ পাই । সেখানে আমি বন্যার সময় গবাদি পশুর খাদ্য ও রোগের বিষয়টি জানালে এবং বন্যার সময় গবাদি পশুর জন্য আলাদা বরাদ্দের কথা জানালে তিনি তা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সাথে সাথে বিষয়টি নোট করার জন্য তার মুখ্য সচিব কে বলেন। এদিকে


vc sir45

গবাদি পশুর জন্য মোবাইল হাসপাতালের ব্যাপারে তিনি বলেন , এটা আমার স্বপ্ন । এই এলাকার মানুষের জন্য ভালো কিছু করার ইচ্ছা আছে আমার । তিনি আরও বলেন এই গাড়িতে অপারেশন করা সহ সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান থাকবে । এর মাধ্যমে কৃষকদের কৃষি সমস্যা, গবাদি পশুর চিকিৎসাসহ কৃষিভিত্তিক সকল সমস্যার সমাধান করা হবে। হ্যাচারি স্থাপনের ব্যাপারে তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় এই এলাকায় একটি হ্যাচারি স্থাপনের জন্য এক সাথে ৫ একর জায়গা খোজা হচ্ছে । এটি পাওয়া গেলেই হ্যাচারি স্থাপনের কাজ শুরু হবে । এর মাধ্যমে মাছের পোনা উৎপাদন করে এ এলাকার মানুষের মধ্যে তা স্বল্প মূল্য বিতরণ করা হবে,এবং এই হ্যাচারি মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীদের কাজে ব্যবহার করা হবে ।