আরাকান স্বাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশে সাময়িক স্থান দেয়া হোক

0
52

লেখকঃপ্রেন্সিপাল মূফতী হাবিবুর রহমান মিছবাহ || বছরের পুরো সময়টা বলতে গেলে এলাকার বাইরেই থাকি।বছরে দু’চারবার বাড়িতে আসা হয়।মেহমানের মতো ক’দিন থেকে আবার ঢাকায় চলে যাই।যে ক’দিন বাড়িতে থাকা হয়, তা সব মিলিয়ে ৩০দিনও হবে বলে মনে হয় না। তাই এলাকা সম্পর্কে যতোটা ধারণা থাকা দরকার ততোটা আমার নেই।অন্য সবার মতো রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমার মনও ভীষন খারাপ।নিজের অবস্থান হতে তাদের জন্য নূন্যতম কিছুও যদি করতে পারতাম হয়তো দিলে শান্তি পেতাম।তাই নিয়ত করেছিলাম এলাকায় একটি গণ-স্বাক্ষরের আয়োজন করবো।যেখানে দাবী থাকবে-‘৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে যেমন ভারত আমাদের জায়গা দিয়েছিলো,তেমনি আরাকান স্বাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত রোহিঙ্গা শরণার্থীদেরও বাংলাদেশে সাময়িক স্থান দেয়া হোক!এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ হতে বৌদ্ধ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা ও আরাকানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণার দাবী জানানো হোক!’
কিন্তু যা দেখেছি তাতে রীতিমতো বিস্মিত আমি!আসলে সারাদেশের অবস্থাই সম্ভবত এমন।কিছু মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হলেও অধিকাংশ মানুষই বেখবর।তারা জানেই না আরাকান আর রোহিঙ্গা কী!দু’চারজন যারাও জানেন তারা এ বিষয় কোনো কর্তব্য আছে বলে মনে করেন না।একরকম ঈমানী আন্দোলন বা ইস্যুগুলোতে তাদের ভূমিকা এমনই দেখেছি।তারা মনে করে এগুলো হুজুরদের কাজ।ঢাকাতে ক’জন হুজুরের কাছে জানতে চেয়েছিলাম আরাকান ইস্যুতে আমাদের কোনো ভূমিকা থাকার প্রয়োজন আছে কি না? যেমন গণ-স্বাক্ষর, মানববন্ধন, প্রতিবাদ মিছিল, গণ-সমাবেশ বা স্মারকলিপি প্রদান ইত্যাদি।উত্তর পেয়েছি এগুলো রাজনৈতিক দলের নেতাদের দায়িত্ব!তারা মনে করেন তাদের জন্য মাদরাসার শিক্ষকতা ও মুহতামিমগিরিটাই একমাত্র দায়িত্ব।
কী বলবো!মনের আকূতি পেশ করলেই অনেকে বলে আপনি ডাক দিন আমরা আছি।গুনে দেখি মাত্র ১১জন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে!আমার (আমিসহ ইনশাআল্লাহ) ৩১৩জন প্রয়োজন।আল্লাহর কসম! পৃথিবী জয় করা সম্ভব।