২০১৬ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬০৫৫

0
35

মোঃখালেদ বিন ফিরোজ: ২০১৬ সালে ৪ হাজার ৩১২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে।এতে নিহত হয়েছেন
৬ হাজার ৫৫ জন।আহত হয়েছেন ১৫ হাজার ৯১৪ জন।যাত্রী কল্যাণ সমিতির বার্ষিক পর্যালোচনা রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে|গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।১০টি জাতীয় দৈনিক, ছয়টি অনলাইন পত্রিকা,ছয়টি স্থানীয় দৈনিক ও টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত সড়ক দুর্ঘটনার খবরাখবর পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন,২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা কমেছে।কমেছে হতাহত হওয়ারসংখ্যাও।২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে মোট সড়ক দুর্ঘটনা কমেছে ৩৪
দশমিক ৪১ শতাংশ।আর নিহত হওয়ার সংখ্যা কমেছে ২৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ।তবে ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা খানিকটা কমলেও তা সন্তোষজনক
নয়।প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়,২০১৫ সালে ৬ হাজার ৫৮১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ হাজার ৬৪২ জন নিহত হয়।আর আহত হন ২১ হাজার ৮৫৫ জন।সংবাদ সম্মেলনে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সড়ক
দুর্ঘটনা উন্নতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সড়ক দুর্ঘটনাকে সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সরকারের নানামুখী কর্মকাণ্ড আরো গতিশীল
করতে হবে।সরকারের সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত,তথা সঠিক কর্মসূচির মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা এক বছরের মধ্যে ১০ শতাংশে নামিয়ে
আনা সম্ভব।সংবাদ সম্মেলনে সড়ক দুর্ঘটনা ও দুর্ঘটনায় হতাহত হওয়ার সঠিক সংখ্যা নিরূপণে স্থানীয় সরকারকে যুক্ত করার পরামর্শ দেন
বক্তারা।সাবেক যোগাযোগ সচিব মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন,পত্রিকাগুলোর খবর এবং পুলিশের
কাছ থেকে নেয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করা হয়।কিন্তু দুটিতেই
সীমাবদ্ধতা রয়েছে।পত্রিকায় সব দুর্ঘটনার খবর আসে না।আর মামলা না হলে পুলিশ দুর্ঘটনার তথ্যনথিভুক্ত করে না।এক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারকে যুক্ত করা গেলে আরো বেশি কার্যকর হবে এই
পরিসংখ্যান।লিখিত বক্তব্যে মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন,সঠিক সময়ে সঠিক কর্মসূচির মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা বছরে ১০ শতাংশ কমিয়ে আনা সম্ভব।সড়ক দুর্ঘটনার কারণ চিহ্নিত করেছেন সংগঠনটি।এর মধ্যে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি
চালানো,চালকদের বেপরোয়া মনোভাব, বিপজ্জনক অভারটেকিং,হেলপার দিয়ে গাড়ি চালানো,রাস্তাঘাটের নির্মাণ ত্রুটি,গাড়ির ত্রুটি, যাত্রীদের অসতর্কতা,ট্রাফিক আইন না মানা এবং চলন্ত অবস্থায় মোবাইল বা হেড ফোন ব্যবহার করা।