সড়ক দুর্ঘটনা ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ২৫ জনের

0
31

মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সড়কে প্রাণ গেল ২৫ জনের। সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে ফরিদপুরের নগরকান্দায়। গত শুক্রবার রাতে গ্যাস সিলিন্ডারবাহী কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে বেপরোয়া গতির যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষের পর আগুন ধরে যায় দুটি গাড়িতেই। এতে পুড়ে মারা গেছেন ১৩ জন।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুটি গাড়িরই চালক রয়েছেন। অন্যরা বাসচালকের সহকারী ও ১০ যাত্রী। এ দুর্ঘটনায় দগ্ধ ও আহত হয়েছেন ৩৩ জন। এ ছাড়া শুক্রবার রাত থেকে গতকাল শনিবার রাত পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মাগুরা, গাজীপুর, নাটোর ও রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক সাবেক সেনাসদস্যসহ আরও ১২ জন নিহত ও ৪২ জন আহত হন।

পুলিশের হিসাবে, গত তিন বছরে গড়ে দুই হাজার মানুষের প্রাণ গেছে সড়ক দুর্ঘটনায়। তবে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির হিসাবে, ২০১৬ সালেই ৪ হাজার ৩১২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ৬ হাজার ৫৫ জন। আহত হয়েছেন প্রায় ১৬ হাজার মানুষ। এর আগের বছর প্রাণহানি হয় ৮ হাজারের বেশি মানুষের।

সড়ক দুর্ঘটনাসংক্রান্ত একাধিক প্রতিবেদন ও গবেষণা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বড় উৎসব অর্থাৎ দুই ঈদের সময় সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় মানুষের যাতায়াত বাড়ে। বর্ষায়ও দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যায়। কারণ, এ সময় বৃষ্টিতে সড়ক ভেজা থাকে এবং বেহাল সড়কের পরিমাণও বেশি হয়। আর ঘন কুয়াশার কারণেও বাড়ে দুর্ঘটনা। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় যেসব সড়ক দুর্ঘটনার খবর এসেছে, এর কোনোটাতেই দৃশ্যত এমন পরিস্থিতি ছিল না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (এআরআই) পরিচালক অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টার দুর্ঘটনার মূল অনুষঙ্গ বেপরোয়া গতি। চালকেরা বেপরোয়া গতিতে এবং একের পর এক পাল্লা দিয়ে যান চালানোর কারণেই দুর্ঘটনাগুলো ঘটেছে।

বুয়েটের এ অধ্যাপক আরও বলেন, মহাসড়কে গড়ে প্রতি মিনিট পরপর একটি গাড়ি আরেকটিকে পাশ কাটিয়ে (ওভারটেকিং) এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ফলে প্রতি ওভারটেকিংয়ে একটি করে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়। এটি প্রতিরোধে মহাসড়কে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেই। বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মহাসড়কে বিশেষ ক্যামেরা বসাতে হবে। কম খরচেই এটা করে অনেক মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব।

জাতিসংঘ ২০২০ সাল নাগাদ সদস্যদেশগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে। ২০১১ সালে প্রকাশ করা ওই ঘোষণাপত্রে বাংলাদেশও সই করেছে। কিন্তু সেই ঘোষণা বাস্তবায়নে সরকারের কার্যকর কোনো পরিকল্পনা নেই বলেই অভিযোগ সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা নেই বলেই দুর্ঘটনা। আর সরকারের পক্ষ থেকে শৃঙ্খলা আনার উদ্যোগও খুব একটা চোখে পড়ে না। সড়ক নিরাপত্তা শুধু মুখে মুখেই। বাস্তবে কর্মসূচি নেই বললেই চলে।

 ফরিদপুরে দুর্ঘটনা, বেপরোয়া চালক

ফরিদপুরের নগরকান্দায় দুর্ঘটনাকবলিত বাসে যাত্রী ছিলেন যশোরের বাগারপাড়া গ্রামের নাইম রেজা (১৮)। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আহত এই যাত্রী বলেন, লোহাগড়া থেকে শুক্রবার রাত ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে হানিফ পরিবহনের একটি বাস। এতে ৪৬ জন যাত্রী ছিলেন। কালনা খেয়াঘাটে বাসটি যানজটে পড়ে প্রায় এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ছিল। পরে ফেরি পার হয়ে চালক প্রচণ্ড গতিতে বাস চালাতে থাকেন। একে একে সাত-আটটি বাস পাশ কাটিয়ে সামনে যাওয়ার পর ফরিদপুরের গজারিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি একটি কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি এসে পড়ে বাস। তখন বাঁ পাশে আরেকটি বাস থাকায় কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে হানিফ পরিবহনের বাসটির সজোরে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে কাভার্ড ভ্যানের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে দুটি গাড়িতেই আগুন লেগে যায়।

বাসের আহত আরেক যাত্রী লোহাগড়ার নাজির মোল্লা বলেন, বাসের সামনের দিকে আগুন লাগায় দরজা দিয়ে কোনো যাত্রী বের হতে পারেননি। পেছনের আসনগুলোর যাত্রীরা জানালার কাচ ভেঙে আহত অবস্থায় বেরিয়ে আসেন। কেউ কেউ দুর্ঘটনার পর ছুটে আসা লোকজনের সহায়তায় জানালা দিয়ে বেরিয়ে আসেন।

দুর্ঘটনার পরপরই মুকসুদপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এবং পরে ভাঙ্গা থেকে দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারকাজ শুরু করে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নিহত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গতকাল সকাল থেকেই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসতে থাকেন লোকজন। এ সময় তাঁদের অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের একজন সৈয়দ দাউদ আলী। তাঁর সন্ধানে হাসপাতালে আসেন স্ত্রী শাহানারা বেগম ও তাঁর মেয়ে (নাম জানা যায়নি)। স্বামীকে না পেয়ে শাহানারার আর্তনাদে সেখানকার বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।প্রাণ গেল

নগরকান্দার চরযশোহরদী ইউনিয়নের গজারিয়ায় এ দুর্ঘটনায় গতকাল বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ছয়জনের মৃতদেহ শনাক্ত করেছে তাঁদের পরিবার। পরিচয় পাওয়া ছয়জন হলেন গোপালগঞ্জ সদরের বাসিন্দা চিকিৎসক গোলাম রসুল (৫৫), কাভার্ড ভ্যানচালক নড়াইলের নলডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মো. আসাদুজ্জামান (৪৫), বাসচালক বাঁশগ্রামের হেমায়েত হোসেন (৪০) ও তাঁর সহকারী গোবরা গ্রামের মো. জুয়েল (২০), কালিয়ার বাসযাত্রী আলমগীর হোসেন (৪০) ও কাগজীপাড়ার বাসযাত্রী মো. শাহজাহান মোল্লা (৩৫)। চিকিৎসক গোলাম রসুলের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি ঢাকার শেওড়াপাড়ায় বসবাস করতেন। কর্মরত ছিলেন ইবনে সিনা হাসপাতালে।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কে এম কামরুজ্জামান বলেন, শনাক্ত হওয়া ছয়জনের লাশ স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। যাতায়াত খরচ বাবদ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচজনের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান কে এম খবির বলেন, যাঁদের শনাক্ত করা যায়নি, তাঁদের মৃতদেহের ময়নাতদন্তের সময় ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। লাশগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পুলিশ ডিএনএ পরীক্ষার ব্যবস্থা করবে।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এরাদুল হক বলেন, যাঁদের শনাক্ত করা যাবে না, রোববার (আজ) তাঁদের আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে ফরিদপুরে দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আহত ৩৩ জনকে প্রথমে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কর্মকর্তা অরুণ মণ্ডল বলেন, তাঁদের চারজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্যদের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এজাজুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় নগরকান্দা থানায় মামলা হয়েছে।

এদিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা কয়েকজন বলেন, দুর্ঘটনার পর নিখোঁজ রয়েছেন নড়াইলের ভাটিয়া এলাকার নূর জালাল (৫৪), নোয়াখালী এলাকার বায়েজিদ শেখ (৩০), লোহাগড়ার মনির শেখ (২৫) ও সৈয়দ দাউদ আলী (৫৫) এবং চর দৌলতপুরের উজ্জ্বল ফকির। হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক কামরুজ্জামান বলেন, পুড়ে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় লাশগুলো শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। স্বজনদের কাছে মৃতদেহগুলো বুঝিয়ে দিতে হাসপাতাল চত্বরে একটি সেল খোলা হয়েছে।প্রাণ

মাগুরায় একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৪

যশোর-মাগুরা সড়কের শেখপাড়া নামক স্থানে গতকাল ভোররাতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ চার ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হন আরও ১০ জন। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ও দেবগ্রাম ইউনিয়নের ১৩ জন একটি মাইক্রোবাসে যশোরের বেনাপোল যাচ্ছিলেন। পথে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। আহত ব্যক্তিদের ফরিদপুর, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন দেবগ্রাম ইউনিয়নের তেনাপচা গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদ মোল্যার স্ত্রী খোদেজা বেগম (৪৫), নূর মোহাম্মদের ভাই সালাম মোল্যার স্ত্রী মজিরন বেগম (৪০) ও সালাম মোল্যার ছেলে আলামিন (৯) এবং দৌলতদিয়া ইউনিয়নের উত্তর দৌলতদিয়া ওমর আলী মোল্যা পাড়ার মৃত আজগর আলী সরদারের স্ত্রী ফুলজান বিবি (৭০)।

 গাজীপুরে সাবেক সেনাসহ নিহত ৫

গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর আরপি গেট এলাকায় শুক্রবার রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় সাবেক সেনাসদস্যসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) উচ্চমান সহকারী মো. আবু হানিফ এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মো. আনোয়ার হোসেনের নাম জানা গেছে। পুলিশ জানায়, রাত সাড়ে নয়টার দিকে রাজেন্দ্রপুরগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে বিপরীতমুখী যাত্রীবাহী ইজিবাইকের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে এ তিনজন নিহত হন। এলাকাবাসী আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিক এবং শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

এ ছাড়া গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অধীন চক্রবর্তী এলাকার নবীনগর-চন্দ্রা সড়কে গত রাতে (শনিবার) যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে বাসের দুই যাত্রী নিহত এবং কমপক্ষে ২০ জন আহত হন। সংঘর্ষে বাস ও ট্রাক উল্টে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রাত আটটার দিকে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছিলেন। আহত ব্যক্তিদের শেখ ফজিলাতুন্নেছা কেপিজে হাসপাতাল ও স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

 নাটোরে ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ২

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার আইড়মারি সেতু এলাকায় বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে গতকাল ভোর পাঁচটার দিকে একটি ট্রাক অপর একটি ট্রাককে ধাক্কা দিলে দুজন নিহত ও সাতজন আহত হন। বনপাড়া হাইওয়ে থানা-পুলিশ জানায়, মহাসড়কের পাশে একটি ট্রাক থেকে কয়েকজন আরোহী নামার সময় অপর একটি ট্রাক পেছন থেকে এসে ট্রাকটিকে ধাক্কা দেয়। এতে পেছনের ট্রাকের দুই আরোহী ঘটনাস্থলে নিহত হন।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার হারোয়া গ্রামের আবদুল হাকিমের ছেলে শহীদ হোসেন (৪০) ও টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার চর তেঁতুলিয়া গ্রামের মৃত কোরবান আলীর ছেলে ফুলচাঁদ আলী (৩৮)।

 রাজশাহীতে বিদ্যুৎ কর্মকর্তা নিহত

রাজশাহীর পুঠিয়ায় গতকাল ট্রাকের ধাক্কায় বিদ্যুৎ বিভাগের একজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম আবদুর রাজ্জাক (৫৯)। বাড়ি সিরাজগঞ্জের পুষ্টিগাছা এলাকায়। তিনি নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অধীন পুঠিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক (এজিএম) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রাজশাহীর পবা হাইওয়ে থানা-পুলিশ জানায়, সকাল সাতটার দিকে কাঁঠালবাড়িয়া এলাকায় আবদুর রাজ্জাক ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় রাজশাহীগামী একটি ট্রাক তাঁকে চাপা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ১১টায় তাঁর মৃত্যু হয়।