অ্যাটর্নি জেনারেল পদে মাহবুবে আলমের থাকতে বাধা নেই

0
18

মাহবুবে আলমের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন খারিজ করেছে হাই কোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি আবু তাহের মোহাম্মদ সাইফুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেয়। খবর বিডিনিউজের।মাহবুবে আলমের

আদেশে আদালত বলেছে, আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দের করা ওই রিট আবেদন ‘মেনটেইনেবল’ নয়। আবেদনের পক্ষে ইউনুছ আলী নিজেই শুনানি করেন। অন‌্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তার পদটিতে নিয়োগ পান সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবে আলম। তারপর থেকে টানা নয় বছর ওই দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।

গত বছরের ৯ নভেম্বর মাহবুবে আলমের ওই পদে থাকার বৈধতা নিয়ে হাই কোর্টে এই আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আকন্দ। পরদিন অর্থাৎ ১০ নভেম্বর রিট আবেদনটি বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর বেঞ্চে শুনানির জন্য উঠলে তা শুনতে বিব্রতবোধ করেন একজন বিচারক। এরপর প্রধান বিচারপতি তা তৃতীয় বেঞ্চে পাঠান।

‘৬৭ বছর অতিক্রম করলেন মাহবুবে আলম, অ্যাটর্নি জেনারেল পদে থাকা নিয়ে বিতর্ক’ শিরোনামে এক প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট আবেদনটি করা হয়।

ওই সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬৭ বছর অতিক্রান্ত হওয়ায় সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মাহবুবে আলম আর এ্যাটর্নি জেনারেলের পদে থাকতে পারেন না বলে আইনজ্ঞদের অভিমত।

রিট আবেদনে বলা হয়, “সংবিধান মেনে চলা সবারই দায়িত্ব ও কর্তব্য। সাংবিধানিক অন্য সব পদেই নির্ধারিত সময়ের পরে আর কেউ থাকতে পারেন না। ”

ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমিরউদ্দিন সরকারকে উদ্ধৃত করে ওই সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়, “যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হলেই অবসরে যান। অর্থাৎ এরপর তাদের বিচারক পদে থাকাটা অসাংবিধানিক। একই কারণে ৬৭ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে থাকাও অসাংবিধানিক। ”

তবে ওই ব্যাখ্যার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে মাহবুবে আলম গত ১৬ জানুয়ারি বলেন, ৬৪ অনুচ্ছেদের কেবল শুরুর অংশ না পড়ে পুরোটা পড়তে হবে। এই অনুচ্ছেদের শেষে ৬৪(৪)-তে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির সন্তোষ অনুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।