সাকিবের ডাবল সেঞ্চুরি

0
51

সময়ের পাতাঃ অনেকদিন ধরেই তার ব্যাটে বড় ইনিংসের দেখা মিলছিল না। বেশিরভাগ সময় বড় ইনিংসের আশা জাগিয়েও হাফ সেঞ্চুরি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।শাকিব আল হাসান

তাই সেঞ্চুরি করে মন ভরল না সাকিবের।আজ নিজের ইনিংসটি তিনি টেনে নিয়ে গেলেন ডাবল সেঞ্চুরিতে! ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে কিউইদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ২৫৩ বলে ৩০টি বাউন্ডারির সাহায্য তিনি এই দারুণ মাইলফলকে পৌঁছান।

সাকিবের প্রিয়বন্ধু হিসেবে খ্যাত তামিম ইকবালের সাথে তার প্রতিযোগিতাটা বেশ ভালোই চলে। তামিম আগেই ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। এবার তার কাতারে দাঁড়ালেন সাকিব। সাকিব-তামিম ছাড়াও মুশফিকের ডাবল সেঞ্চুরি আছে। এছাড়া আজ বাংলাদেশের তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে ৩ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন বিশ্বসেরা এই অল-রাউন্ডার। তার বন্ধু তামিম অবশ্য এর আগেই এই মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে হাবিবুল বাশার সবার আগে এই মাইলফলকে পৌঁছান।

২৯২৯ রান নিয়ে ওয়েলিংটন টেস্ট শুরু করেছিলেন সাকিব। মিচেল স্যান্টনারের বলে এক রান তাকে পৌঁছে দেয় ৩ হাজারের মাইলফলকে। ডাবল সেঞ্চুরির ইতিহাস গড়ার পথে টিম সাউদিকে চার হাঁকিয়ে ৮৬ বলে ক্যারিয়ারের ২০তম হাফ সেঞ্চুরি করেন সাকিব। তারপর ১৫০ বলে ১৩ বাউন্ডারিতে ক্যারিয়ারে চতুর্থবারের মত ১০০ রানের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান বাংলাদেশ ক্রিকেটের পোস্টার বয়। এরপর সেই সেঞ্চুরিকে পরিণত করেন ডাবল সেঞ্চুরিতে।

এদিন সাকিব সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছেন টিম সাউদিকে। এখন পর্যন্ত ইনিংসের ১০টি চার মেরেছেন তিনি সাউদির বলে। নেইল ওয়াগনারের বল সীমানার বাইরে পাঠিয়েছেন ৬ বার। মুশফিকের কাছেও এই দুজন ৬টি করে বাউন্ডারি খেয়েছে। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে একটি ছক্কাও হাঁকিয়েছেন মুশি।

৫ দিনের ক্রিকেটে সাকিব সর্বশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন ২০১৪ সালের ১৯ নভেম্বর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খুলনা টেস্টে। সাকিবের প্রথম সেঞ্চুরিটি ছিল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেই। সেটা ২০১০ সালে হ্যামিল্টন টেস্টে।