বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজে জয় পেতে চায় দুদলেই

0
54

সময়েরপাতাঃ ক্রাইস্টচার্চে বক্সিং ডেতে শুরু হচ্ছে বাঘের সাথে কিউই পাখির লড়াই। যদিও বড় ব্যবধান গড়ে দিতে পারে আবহাওয়া ও উইকেট, তবু দুদলেই এমন কিছু ক্রিকেটার আছেন যারা কন্ডিশন জয় করে বদলে দিতে পারে ম্যাচের সমীকরণ। বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের স্কোয়াডে কারা হতে পারেন ট্রাম্পকার্ড। কাদের হাত ধরে ম্যাচের শেষ দৃশ্যে হাসবে কিউই পাখি অথবা বাঘের দল।

ক্রাইস্টচার্চের হাগলে ওভাল! মেঘলা বিষণ্ণ আকাশ আর সিমিং উইকেট। ঠিক যেন সিম বোলারদের স্বর্গরাজ্য। আর সেখানে কিইউ পাখির সাথে লড়বে টাইগার বাহিনী। অরণ্যানীর মাঝে ডিম্বাকার ক্রিকেট মঞ্চের রণে আঘাত হানার চেষ্টা করবে দুদলের তুরুপের তাসরা!

ওপেনিংয়ে মার্টিন গাপটিল, যে কোন কন্ডিশনে অপ্রতিরোধ্য। সোজা ব্যাটে দারুণ আগ্রাসী ব্যাটিং নৈপুণ্য এই স্টার্টারের। সুলতান অফ চট্টগ্রাম তামিম ইকবালও কম যান না, আর সিমিং কন্ডিশনে ব্যাটের সাথে বলের সখ্য গড়ে তোলা তার স্বভাবজাত। দুজনের ওপর নির্ভর করবে সকালের সূর্যটা কার জন্য হবে রৌদ্রজ্জ্বল, কার জন্য হবে বিষণ্ণ।

মাঝে হাল ধরার জন্য আছেন কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ব্ল্যাকক্যাপ অধিনায়ক যেন ব্যাট হাতে ধ্রুপদী সঙ্গীত মূর্ছনা ছড়ান! টাইগার স্কোয়াডে তার সাথে পাল্লা দেয়ার জন্য আছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ওশেনিয়ান কন্ডিশনে গত বছর বিশ্বকাপেই কিউইদের বিপক্ষে শতক আছে মিস্টার ডিপেন্ডেবলের।

বিভিন্ন দেশের উইকেটে একাই ম্যাচ ঘুরিয়েছেন সাকিব আল হাসান! তার প্রতিদ্বন্দ্বী সে নিজেই, ব্যাট কিংবা বল উভয় দিকে ওভারসিজ কন্ডিশনে সাকিব বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি অভিজ্ঞ। তাই সাকিবের সুপার-সাকিব হয়ে ওঠার অপেক্ষায় থাকবে সমর্থকরা।

এবছর এখন পর্যন্ত ওয়ানডে না খেলা মোস্তাফিজের জন্য অপেক্ষা করছে বড় পরীক্ষা। সোনায় মোড়ানো ক্যারিয়ারে আঘাত হয়ে আসা ইনজুরিকে কতটুকু জয় করতে পারলেন তা বোঝা যাবে এই সিরিজে। কাটারের ভেলকিতে নিউজিল্যান্ডকে আগেও বিধ্বস্ত করেছেন ফিজ! এবারে অদৃশ্য প্রতিপক্ষ ইনজুরির সাথে কেমন মানিয়ে নেন তাই দেখার পালা।

ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি থাকার পরেও নিউজিল্যান্ডে এখন মাতামাতি এক নবাগতকে নিয়ে। নাম তার লকি ফারগুসন। কোচ মাইক হেসন থেকে শুরু করে অধিনায়ক উইলিয়ামসন স্ততিতে ভাসাচ্ছেন এই বাহাতি পেসারকে। প্রথম শ্রেণীতে ২২ ম্যাচে ৭৭ উইকেট নেয়া লকি বাংলাদেশের জন্য হতে পারে রহস্য।

তাছাড়া বাংলাদেশে যেমন আছেন সাব্বির-মোসাদ্দেকের মতো হার্ডহিটার, ব্যাটে শান দিচ্ছেন কলিন মুনরোরাও। নিজেদের গতি দিয়ে কে কতটুকু উত্তাপ ছড়াতে পারেন, সেই যুদ্ধে মাতবেন তাসকিন-রুবেল/বোল্ট-সাউদিরা! কিন্তু এক দিক দিয়ে বাংলাদেশ থাকবে এগিয়ে, নিবেদিতপ্রাণ মাশরাফি বিন মর্তুজার বিচক্ষণ ক্রিকেটবোধ আর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার প্রত্যয় থাকবে টিম টাইগারদের সাথে! সূত্রঃ সময়টিভি.নেট